প্রশ্নফাঁসের ১১ দিনপর মামলার আসামী মাদারীপুর থেকে গ্রফতার
অনলাইন ডেস্ক
- আপডেট সময় : ০৩:০৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪১ বার পড়া হয়েছে
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস) মো. ছুফি উল্লাহ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেফতারের সময় সোহাগ ফকিরের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।
যেভাবে ধরা পড়লেন সোহাগ ফকির
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সরাসরি সম্পৃক্ততা পায় তদন্ত দল। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সরাসরি সম্পৃক্ততা পায় তদন্ত দল। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
স্থগিত পরীক্ষা ও মামলা
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এই জালিয়াতির ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সিআইডি জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে থাকা পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এই জালিয়াতির ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সিআইডি জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে থাকা পুরো চক্রটিকে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।




















