ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, আট সমঝোতা স্মারক নিয়ে হবে আলোচনা , চারটি সইয়ের প্রত্যাশা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন অংশীদারত্ব আরও গভীর করার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে অন্তত চারটি সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে আশা করছে ঢাকা। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে দেখবে দুই দেশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আল সিয়াম।

পররাষ্ট্রসচিব জানান, এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গভীর ও সময়োপযোগী করা। দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন নতুন খাতে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সফরকালে আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সফরের অংশ হিসেবে জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামেও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারকগুলো নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। সব কটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও অন্তত চারটি স্মারক সইয়ের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। এসব সমঝোতার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে জাপান দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দেশটির সহযোগিতা রয়েছে। নতুন এই সফরে বিদ্যমান সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

গত ১০ অক্টোবর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গভীর করা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিভিন্ন খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবে বলেও জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের জন্য জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষি প্রযুক্তির মতো খাতে সহযোগিতা বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সফরে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলোর কতগুলো চূড়ান্ত রূপ পায় এবং আলোচনার মধ্য দিয়ে কী ধরনের সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে সফরের তাৎপর্যপূর্ণ ফলাফল।

আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আসন্ন এ সফরে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা গুরুত্ব পাবে। সফরে প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে, যার মধ্যে অন্তত চারটি সই হওয়ার প্রত্যাশা করছে ঢাকা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আল সিয়াম এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এই সফরের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর ও সময়োপযোগী করার সুযোগ তৈরি হবে।

আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক এবং জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে তার।

গত ১০ অক্টোবর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গভীর করা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে বাংলাদেশ গুরুত্ব দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, আট সমঝোতা স্মারক নিয়ে হবে আলোচনা , চারটি সইয়ের প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন অংশীদারত্ব আরও গভীর করার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে অন্তত চারটি সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে আশা করছে ঢাকা। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে দেখবে দুই দেশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আল সিয়াম।

পররাষ্ট্রসচিব জানান, এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গভীর ও সময়োপযোগী করা। দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন নতুন খাতে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সফরকালে আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সফরের অংশ হিসেবে জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামেও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারকগুলো নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। সব কটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও অন্তত চারটি স্মারক সইয়ের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। এসব সমঝোতার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে জাপান দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দেশটির সহযোগিতা রয়েছে। নতুন এই সফরে বিদ্যমান সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

গত ১০ অক্টোবর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের অগ্রাধিকার সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গভীর করা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিভিন্ন খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবে বলেও জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের জন্য জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষি প্রযুক্তির মতো খাতে সহযোগিতা বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সফরে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলোর কতগুলো চূড়ান্ত রূপ পায় এবং আলোচনার মধ্য দিয়ে কী ধরনের সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে সফরের তাৎপর্যপূর্ণ ফলাফল।

আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আসন্ন এ সফরে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা গুরুত্ব পাবে। সফরে প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে, যার মধ্যে অন্তত চারটি সই হওয়ার প্রত্যাশা করছে ঢাকা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আল সিয়াম এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্রসচিব জানান, সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এই সফরের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর ও সময়োপযোগী করার সুযোগ তৈরি হবে।

আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক এবং জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে তার।

গত ১০ অক্টোবর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গভীর করা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে বাংলাদেশ গুরুত্ব দেবে।