রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের এমডিদের চুক্তির মেয়াদ বাতিল
- আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪০ বার পড়া হয়েছে
রাষ্ট্রায়ত্ত তিন বাণিজ্যিক ব্যাংক—সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ-সংক্রান্ত পৃথক চিঠি জারি করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে আইন ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের আওতায় রয়েছেন সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক-১ শাখা থেকে জারি করা চিঠিগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়ে সরকারের সুপারিশ ও সম্মতির কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং সংশ্লিষ্ট চুক্তির বিধান অনুসারে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
তিন ব্যাংকের শীর্ষ পদে পরিবর্তন
সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. শওকত আলী খান ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চুক্তির মেয়াদ অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব পালনের আরও সময় বাকি ছিল।
অন্যদিকে, জনতা ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মো. মজিবর রহমান। রূপালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের দুজনের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের বিষয়েও সরকারের সম্মতি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ পরিচালনা পর্ষদের
সরকারের সিদ্ধান্তের পর এখন সংশ্লিষ্ট তিন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে প্রচলিত আইন ও নিয়োগ চুক্তির শর্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। তবে এমডিদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের নির্দিষ্ট কারণ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি। তাঁদের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কারা দায়িত্ব পাবেন, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর শীর্ষ পর্যায়ে এ পরিবর্তনের ফলে তিনটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে নতুন সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে নতুন এমডি নিয়োগ কিংবা অন্তর্বর্তী দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর পরবর্তী নেতৃত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।






















