ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনে বেজে উঠছে ভাঙনের ‍সুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
এশিয়ান গেমস শেষ করে বাংলাদেশ দলের দেশে ফেরার সপ্তাহ পেরোতে না পেরোতেই দেশের শীর্ষ ক্রীড়া সংস্থা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ) বড় ধাক্কা লেগেছে। গেমসে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির চুলচেরা বিশ্লেষণের মধ্যেই পদত্যাগ করেছেন বিওএর সহসভাপতি সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং দুই নির্বাহী সদস্য—সাবেক তারকা ফুটবলার সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির ও হাবিবুর রহমান জামিল।
তাহলে কি এশিয়ান গেমসের সকল ব্যর্থতা থেকে নিজেদের গুটিয়ে রাখতেই বুধবার তিন বিওএ’ কার্যনির্বাহী সদস্যের পদত্যাগ? নাকি অন্য কোন রেষারেষি।
তা না হয় কেন বছর না গড়াতেই নতুন কমিটিতে পদত্যাগের হিড়িক? তাও আবার নির্বাহী কমিটির একজন সহ-সভাপতি ও দুই সদস্য। পদত্যাগী সহ-সভাপতি হলেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার বর্তমান সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং দুই সদস্য হলেন সাবেক তারকা ফুটবলার রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির ও জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশনের সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান জামিল।
যদিও পদত্যাগের বিষয়  নিয়ে মুখ খুলেন নি এক সময়ের তারকা ফুটবলার এবং ঢাকা মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের পরিচালক রুম্মনি বিন সাব্বির।  তবে তার চোখে মুখে দৃশ্যমান ছিল রাজ্যের ক্ষোভ। সেটা সামলে সাব্বির জানালেন, ব্যক্তিগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। সাব্বির তার পদত্যাগ পত্রে লিখেছেন, ‘আমি দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছি। বর্তমানে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমার পক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি।’
তাহলে অন্য দুই সদস্যও কি একই কারণে পদত্যাগ কেরেছেন? বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা পদাধিকারবলে বিওএর সহসভাপতি ছিলেন।
তবে এদের পদত্যাগের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিওএ মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, ‘শূন্য হওয়া পদগুলোর বিষয়ে গঠনতন্ত্র এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) নির্দেশনা মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এ বিষয়ে মহাসচিব আরো বলেন, ‘সহসভাপতি শুক্লা ও জামিলের চিঠি পেয়েছি। সাব্বির সাহেবেরটা মাত্র পেলাম। পদ শূন্য হলে আমরা গঠনতন্ত্র ও আইওসির নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব।’
ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন,  দু’একদিনের মধ্যে আরো কিছু পদত্যাগ পত্র জমা পড়তে পারে।
দেশের নতুন সরকার বিএনপি দেশের দ্বয়িত্বে আসার পর বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তন আনছে। এমন কি ক্রীড়াফেডারেশন গুলোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর গত ১৮ জুলাই বিএনপি একযোগে ২৮টি ক্রীড়া ফেডারেশনের কমিটি পরিবর্তন করে। প্রতিটি ফেডারেশনই অলিম্পিক ডিসিপ্লিনের অন্তর্ভুক্ত। সেই সময় থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা ছিল, এশিয়ান গেমসের পর বিওএর কমিটিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। তিন কর্মকর্তার পদত্যাগকে সেই সম্ভাব্য পরিবর্তনের অংশ বলে মনে করছেন অনেকে।
ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন এশিয়ান গেমসে শুন্য পদকের প্রত্যাশায় বিশাল বহর পাঠানোয় বিওএর বিপক্ষে দেশের বিশাল অংকের অর্থ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে ক্রীড়াঙ্গনে। বিষয়টি খুব একটা ভালো চোথে দেখেনি সরকার । ক্রীড়ামন্ত্রী গেমসের শেষ দিকে জানিয়েছিলেন কেন এই ব্যর্থতা তার জবাব চাওয়া হবে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই অহেতুক অর্থ  ব্যয় থেকে দূরে থাকেন , সেখানে অলিম্পিক এসোসিয়েশন গেমসের নামে বিলাস ভ্রমন করাটা ছিল প্রচন্ড দৃষ্টি কটু।
এমন কি এশিয়ান গেমস চলাকালীন বিওএ;র প্রতিনিধিদের দ্বায়িত্ব অবহেলারও অভিযোগ উঠেছে স্বয়ং আরচ্যারি ফেডারেশন থেকে। বিওএ’র মহাসচিব যোবায়দুর রহমান পারেন নি এর কোন সদুত্তোর দিতে। এর আগেও দিল্লি গেমসের সময় এই যোবায়দুর রহমান রানার বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে অর্থাৎ ২০১০ দিল্রি গেমসের সময় যোবায়দুর রহমান রানা বিওএ’র যুগ্মমহাসচিব পদে থেকে অলিম্পিকে ছরি ঘুরিয়েছিলেন বলে ক্রীড়াঙ্গনে নানা গুঞ্জন ছিল। বর্তমানে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের আরো বড় পদে, মহাসচিব তিনি। সাবেক ক্রীড়াবিদদের মতে, তার চুড়ান্ত সম্মতিতেই বাংলাদেশ থেকে এবার সবচেয়ে বড় দলটি গিয়েছিল জাপান এশিয়ান গেমসে।
অথচ নিজ প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি নিয়ে দেখা যায়নি তেমন তোড়-জোড়। শুধু সরকারের উপর দোষ চাপিয়েই জানিয়ে দিল অর্থের অভাবে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায়নি। তাই ক্রীড়াঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছিল তাহলে এতো বড় কন্টিনজেন্ট কেন?
২০১০ সালেও যোবায়দুর রহমান রানার বিপক্ষে দ্বায়িত্ব অবহেলার সংবাদ ছাপানো হয়েছিল দৈনিক সংবাদে। ঘুরে ফিরে সেই তিনিই অদৃশ্য শক্তির বলে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব পদ পেয়ে যান। সাবেক ক্রীড়াবিদদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ব্যডিমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় যে দেশের ব্যাডমিন্টনের ভাগ্য বদলাতে পারেনি সে কি ভাবে বদলাবে পুরো দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভাগ্য?

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনে বেজে উঠছে ভাঙনের ‍সুর

আপডেট সময় : ০১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
এশিয়ান গেমস শেষ করে বাংলাদেশ দলের দেশে ফেরার সপ্তাহ পেরোতে না পেরোতেই দেশের শীর্ষ ক্রীড়া সংস্থা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ) বড় ধাক্কা লেগেছে। গেমসে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির চুলচেরা বিশ্লেষণের মধ্যেই পদত্যাগ করেছেন বিওএর সহসভাপতি সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং দুই নির্বাহী সদস্য—সাবেক তারকা ফুটবলার সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির ও হাবিবুর রহমান জামিল।
তাহলে কি এশিয়ান গেমসের সকল ব্যর্থতা থেকে নিজেদের গুটিয়ে রাখতেই বুধবার তিন বিওএ’ কার্যনির্বাহী সদস্যের পদত্যাগ? নাকি অন্য কোন রেষারেষি।
তা না হয় কেন বছর না গড়াতেই নতুন কমিটিতে পদত্যাগের হিড়িক? তাও আবার নির্বাহী কমিটির একজন সহ-সভাপতি ও দুই সদস্য। পদত্যাগী সহ-সভাপতি হলেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার বর্তমান সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং দুই সদস্য হলেন সাবেক তারকা ফুটবলার রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির ও জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশনের সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান জামিল।
যদিও পদত্যাগের বিষয়  নিয়ে মুখ খুলেন নি এক সময়ের তারকা ফুটবলার এবং ঢাকা মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবের পরিচালক রুম্মনি বিন সাব্বির।  তবে তার চোখে মুখে দৃশ্যমান ছিল রাজ্যের ক্ষোভ। সেটা সামলে সাব্বির জানালেন, ব্যক্তিগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। সাব্বির তার পদত্যাগ পত্রে লিখেছেন, ‘আমি দীর্ঘদিন যাবৎ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছি। বর্তমানে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমার পক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি।’
তাহলে অন্য দুই সদস্যও কি একই কারণে পদত্যাগ কেরেছেন? বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা পদাধিকারবলে বিওএর সহসভাপতি ছিলেন।
তবে এদের পদত্যাগের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিওএ মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, ‘শূন্য হওয়া পদগুলোর বিষয়ে গঠনতন্ত্র এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) নির্দেশনা মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এ বিষয়ে মহাসচিব আরো বলেন, ‘সহসভাপতি শুক্লা ও জামিলের চিঠি পেয়েছি। সাব্বির সাহেবেরটা মাত্র পেলাম। পদ শূন্য হলে আমরা গঠনতন্ত্র ও আইওসির নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব।’
ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন,  দু’একদিনের মধ্যে আরো কিছু পদত্যাগ পত্র জমা পড়তে পারে।
দেশের নতুন সরকার বিএনপি দেশের দ্বয়িত্বে আসার পর বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তন আনছে। এমন কি ক্রীড়াফেডারেশন গুলোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর গত ১৮ জুলাই বিএনপি একযোগে ২৮টি ক্রীড়া ফেডারেশনের কমিটি পরিবর্তন করে। প্রতিটি ফেডারেশনই অলিম্পিক ডিসিপ্লিনের অন্তর্ভুক্ত। সেই সময় থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা ছিল, এশিয়ান গেমসের পর বিওএর কমিটিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। তিন কর্মকর্তার পদত্যাগকে সেই সম্ভাব্য পরিবর্তনের অংশ বলে মনে করছেন অনেকে।
ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন এশিয়ান গেমসে শুন্য পদকের প্রত্যাশায় বিশাল বহর পাঠানোয় বিওএর বিপক্ষে দেশের বিশাল অংকের অর্থ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে ক্রীড়াঙ্গনে। বিষয়টি খুব একটা ভালো চোথে দেখেনি সরকার । ক্রীড়ামন্ত্রী গেমসের শেষ দিকে জানিয়েছিলেন কেন এই ব্যর্থতা তার জবাব চাওয়া হবে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই অহেতুক অর্থ  ব্যয় থেকে দূরে থাকেন , সেখানে অলিম্পিক এসোসিয়েশন গেমসের নামে বিলাস ভ্রমন করাটা ছিল প্রচন্ড দৃষ্টি কটু।
এমন কি এশিয়ান গেমস চলাকালীন বিওএ;র প্রতিনিধিদের দ্বায়িত্ব অবহেলারও অভিযোগ উঠেছে স্বয়ং আরচ্যারি ফেডারেশন থেকে। বিওএ’র মহাসচিব যোবায়দুর রহমান পারেন নি এর কোন সদুত্তোর দিতে। এর আগেও দিল্লি গেমসের সময় এই যোবায়দুর রহমান রানার বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে অর্থাৎ ২০১০ দিল্রি গেমসের সময় যোবায়দুর রহমান রানা বিওএ’র যুগ্মমহাসচিব পদে থেকে অলিম্পিকে ছরি ঘুরিয়েছিলেন বলে ক্রীড়াঙ্গনে নানা গুঞ্জন ছিল। বর্তমানে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের আরো বড় পদে, মহাসচিব তিনি। সাবেক ক্রীড়াবিদদের মতে, তার চুড়ান্ত সম্মতিতেই বাংলাদেশ থেকে এবার সবচেয়ে বড় দলটি গিয়েছিল জাপান এশিয়ান গেমসে।
অথচ নিজ প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি নিয়ে দেখা যায়নি তেমন তোড়-জোড়। শুধু সরকারের উপর দোষ চাপিয়েই জানিয়ে দিল অর্থের অভাবে ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায়নি। তাই ক্রীড়াঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছিল তাহলে এতো বড় কন্টিনজেন্ট কেন?
২০১০ সালেও যোবায়দুর রহমান রানার বিপক্ষে দ্বায়িত্ব অবহেলার সংবাদ ছাপানো হয়েছিল দৈনিক সংবাদে। ঘুরে ফিরে সেই তিনিই অদৃশ্য শক্তির বলে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব পদ পেয়ে যান। সাবেক ক্রীড়াবিদদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ব্যডিমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় যে দেশের ব্যাডমিন্টনের ভাগ্য বদলাতে পারেনি সে কি ভাবে বদলাবে পুরো দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভাগ্য?