সঙ্কটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে দেশ বললেন তারেক রহমান, দেশে ফিরছেন ২৫ ডিসেম্বর
- আপডেট সময় : ১০:৫১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ভোট যুদ্ধে মাঠে নেমে পড়েছেন। এদিকে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে রয়েছে চিকিৎসারত অবস্থায়। এরপরেও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা হচ্ছে না কেন? এমন সব আলোচনায় অনেকটা কোনঠাসারত বিএনপির সমর্থকরা।
অবশেষে তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিনক্ষণ চূড়ান্ত হলো। তিনি আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর। শুক্রবার রাত পৌনে ১০টায় বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দেশে ফিরবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান ঢাকার মাটিতে এসে পৌঁছাবেন। আমরা তার আগমনকে শুধু স্বাগতম জানাচ্ছি না, একই সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে দেশবাসীর কাছে এ সুখবরটি জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি— দেশে গণতন্ত্রের পথে যেসব বাধা সৃষ্টি হয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তা দূর হয়ে যাবে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা সংবাদের দিনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদীর উপর গুলি বর্ষণে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এমন ঘটনায় তিনি নিন্দা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশ এখন অত্যন্ত সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী প্রতিটি দল ও ব্যক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লন্ডন থেকে ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠান হয়।
হাদির ওপর এ হামলা ষড়যন্ত্রের অংশ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যারা এই দেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করতে চায়, এ দেশের সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করে, এই দেশের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করতে চায়, তারা তাদের ষড়যন্ত্র যে শুরু করে দিয়েছে, আজকে ওসমান হাদির ঘটনা দিয়ে তা প্রমাণিত হয়েছে। কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে একইভাবে বিএনপির আরেক প্রার্থীকে গুলি করা হয়েছিল।
তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি গত এক বছরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা হুমকি দিয়েছে প্রকাশ্যে যে প্রত্যাশিত নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে, সে নির্বাচনকে তারা হতে দেবে না, বাধাগ্রস্ত করবে। একটি দল, গোষ্ঠী বা কিছু ব্যক্তি এই দেশকে দেশের মানুষের শান্তি স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
এই পরিস্থিতিতে জাতীয়তাবাদী শক্তির সর্বোচ্চ ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ তারেক রহমান বলেন, এ কারণেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং একই সঙ্গে যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন, দল ছোট-বড় বিষয় না, যারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের অস্তিত্বে, বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে, সবার আগে বাংলাদেশ এই নীতিতে যারা বিশ্বাস করে, আমাদের প্রত্যেকটি দল প্রত্যেকটি নেতা প্রত্যেকটি কর্মী প্রত্যেকটি মানুষকে আজ অতীতের যেকোনো সময় থেকে সবচেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।




















