ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সুইসদের ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • / ৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কানসাস সিটিতে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ছিল ঢল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পরেও লিওনেল মেসিদের ওপর সমর্থেকদের প্রচন্ড আস্থা ছিল যে, সুইজারল্যান্ড সমতা ফেরালেও ম্যাচ শেষে শেষ হাসিটা আর্জেন্টিনারই হবে। তাদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন মেসি-আলভারেজ,লাউতারো মার্তিনেজরা। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল করে তারা স্বস্তির জয় এনে দিয়েছে। সুইসদের ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

তবে আর্জেন্টিনার বড় জয়ে পেলও গোল শুন্য ছিলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এই ম্যাচেই তিনি গোল করতে পারেন নি। তার নেয়া সব কয়েকটি প্রচেষ্টা  সুইস গোল কিপার ফিরিয়ে দিলে বিশ্বকাপের এই মহাতারকা কোয়ার্টার ফাইনালে থাকেন গোলশুন্য।

মূলত ম্যাচের নাটকীয় মোড় নেয় ৭২ মিনিটে, সুইসদের সবচে কার্যকরি খেলোয়াড় ব্রিল এমবোলো লাল কার্ড। দশজনে পরিনত হওয়া সুইসরা তখনি রক্ষণাত্মক ভূমিকায় চলে যায়। কিন্তু এরপরেও গোলের নিশানা যেন খুঁজে পাচ্ছিলো না আর্জেন্টিনা।

১১৩ মিনিট পর্যন্ত ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচটি অমিমাংসিতভাবে শেষ হওয়ার পথে যাচ্ছিলো। সবার মধ্যে টাইব্রেকারের একটা মানসিক প্রস্তুতি চলে আসাই ছিল স্বাভাবিক। দশজনে পরিণত হওয়া সুইসরা অপেক্ষায় ছিলেন সে দিকে। কিন্তু আলভারেজ এর এক কোনাকুনি শট সব হিসাব বদলে দেয়। এরপর অতির্কিত সময়ে যোগকরা সময়ে সে ব্যবধানটা ৩-১ নিয়ে যান লাউতারো মার্তিনেজ। আর সে সুবাদে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ বিজয়ে অভিযান চলছেই।

তার আগে কিক অফের দশ মিনিটেই আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেয় ম্যাক আলিস্টার। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে এই হেডে এই গোলটি করেন লিভারপুল মিডফিল্ডার। পিছিয়ে পড়লেও একেবারে হাল ছেড়ে দেয়নি সুইজারল্যান্ড।

গোল খাওয়া বাদ দিলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সমানতালে খেলেছে তারা। একাধিকবার গোল করার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত গোল পাওয়া হয়নি।

আর্জেন্টিনার গোল উদ্‌যাপন

বিরতির পরেই খেলতে নেমে খেলায় ফেরার একটি দারুণ সুযোগ পায় সুইসরা। ৫০ মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিল সুইজারল্যান্ড। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ ডিফেন্ডিং এবং নিজেদের ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলটি পায়নি সুইজারল্যান্ড।

অবশ্য এবার আর ব্যর্থ হয়নি সুইসরা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফিরিয়েছেন ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন এনদোয়ে। ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফিরে।

কিন্তু এরপরেই ঘটে যায় সুইসদের কপালের দূর্ঘটনা। ৭২ মিনিটের সময় ডাইভ দিয়ে লাল কার্ড দেখলেন ব্রিল এমবোলো। তার এই ড্রাইভটি যে সাজানো ছিলো সেটা আর্জেন্টিার ফ্রেড্রেস প্রতিবাদ জানালে রিভিউ দেখে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলোকে প্রথমে হলুদ কার্ড ও পরে লাল কার্ড দেখান। এর ফলে তাঁকে ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ডটি বাতিল হয়ে গেল।

এরপর থেকে দশজন নিয়ে খেলে সুইজারল্যান্ড। একজন খেলোয়াড় কমে যাওয়ায় এবং দলের সবচে আক্রমনাত্মক খেলোয়াড়টির শুন্যস্থান পূরনে কিছুটা রক্ষনাত্মক হয়ে যায় সুইসরা। এর ফলে আর্জেন্টিনা একের পর আক্রমন করেও সুইস দূর্গ ভাঙতে পারেনি। তবে ম্যাচের ১১৪ মিনিটে খুঁজে পেলো সুইজারল্যান্ডের গোলবারের নিশানা। আর সেই নিশানা খুঁজে পান দীর্ঘদিন ধরে ছন্দে না থাকা হুলিয়ান আলভারেজ। ২৫ গজ দূর থেকে করা তাঁর এই গোলে  আর্জেন্টিনা ২–১ এ এগিয়ে যায়। আলভারাজের দুর্দান্ত এই গোলে ম্যাচের চেহারা পাল্টে যায়। এরপর সুইসদের জালে শেষ পেরেকটি মারেন লাউতারো মার্টিনেজ।  ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন তিনি।

কানসাস সিটিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে ছিল কালো আর্মব্যান্ড। সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্তোনিও রাতিনকে স্মরণ করে এই আর্মব্যান্ড পরেন মেসিরা।

একই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলার জেডেন অ্যাডামসের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছে দুই দল। এবারের বিশ্বকাপেই দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছিলেন অ্যাডামস। সম্প্রতি তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

চলে গেলে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি রাতিন

আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্তোনিও রাতিন মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তাঁর সাবেক ক্লাব বোকা জুনিয়র্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। রাতিন ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছিলেন। এর মধ্যে ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর বিতর্কিত বহিষ্কারই ফুটবলে বড় এক পরিবর্তনের সূচনা করে। সেই ঘটনার পর ১৯৭০ বিশ্বকাপ থেকে লাল ও হলুদ কার্ড চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আর্জেন্টিনার একাদশ :

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।

সুইজারল্যান্ডের একাদশ :

গ্রেগর কোবেল, দেনিস জাকারিয়া, নিকো এলভেদি, মানুয়েল আকাঞ্জি, রিকার্দো রদ্রিগেজ, রেমো ফ্রয়েলার, গ্রানিত জাকা, ফাবিয়ান রিডার, জিব্রিল সো, ড্যান এনদোয়ে, ব্রিল এমবোলো। 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সুইসদের ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

আপডেট সময় : ১০:২২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কানসাস সিটিতে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ছিল ঢল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পরেও লিওনেল মেসিদের ওপর সমর্থেকদের প্রচন্ড আস্থা ছিল যে, সুইজারল্যান্ড সমতা ফেরালেও ম্যাচ শেষে শেষ হাসিটা আর্জেন্টিনারই হবে। তাদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন মেসি-আলভারেজ,লাউতারো মার্তিনেজরা। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল করে তারা স্বস্তির জয় এনে দিয়েছে। সুইসদের ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

তবে আর্জেন্টিনার বড় জয়ে পেলও গোল শুন্য ছিলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এই ম্যাচেই তিনি গোল করতে পারেন নি। তার নেয়া সব কয়েকটি প্রচেষ্টা  সুইস গোল কিপার ফিরিয়ে দিলে বিশ্বকাপের এই মহাতারকা কোয়ার্টার ফাইনালে থাকেন গোলশুন্য।

মূলত ম্যাচের নাটকীয় মোড় নেয় ৭২ মিনিটে, সুইসদের সবচে কার্যকরি খেলোয়াড় ব্রিল এমবোলো লাল কার্ড। দশজনে পরিনত হওয়া সুইসরা তখনি রক্ষণাত্মক ভূমিকায় চলে যায়। কিন্তু এরপরেও গোলের নিশানা যেন খুঁজে পাচ্ছিলো না আর্জেন্টিনা।

১১৩ মিনিট পর্যন্ত ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচটি অমিমাংসিতভাবে শেষ হওয়ার পথে যাচ্ছিলো। সবার মধ্যে টাইব্রেকারের একটা মানসিক প্রস্তুতি চলে আসাই ছিল স্বাভাবিক। দশজনে পরিণত হওয়া সুইসরা অপেক্ষায় ছিলেন সে দিকে। কিন্তু আলভারেজ এর এক কোনাকুনি শট সব হিসাব বদলে দেয়। এরপর অতির্কিত সময়ে যোগকরা সময়ে সে ব্যবধানটা ৩-১ নিয়ে যান লাউতারো মার্তিনেজ। আর সে সুবাদে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ বিজয়ে অভিযান চলছেই।

তার আগে কিক অফের দশ মিনিটেই আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেয় ম্যাক আলিস্টার। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে এই হেডে এই গোলটি করেন লিভারপুল মিডফিল্ডার। পিছিয়ে পড়লেও একেবারে হাল ছেড়ে দেয়নি সুইজারল্যান্ড।

গোল খাওয়া বাদ দিলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সমানতালে খেলেছে তারা। একাধিকবার গোল করার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিল। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে শেষ পর্যন্ত গোল পাওয়া হয়নি।

আর্জেন্টিনার গোল উদ্‌যাপন

বিরতির পরেই খেলতে নেমে খেলায় ফেরার একটি দারুণ সুযোগ পায় সুইসরা। ৫০ মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিল সুইজারল্যান্ড। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ ডিফেন্ডিং এবং নিজেদের ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলটি পায়নি সুইজারল্যান্ড।

অবশ্য এবার আর ব্যর্থ হয়নি সুইসরা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফিরিয়েছেন ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন এনদোয়ে। ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফিরে।

কিন্তু এরপরেই ঘটে যায় সুইসদের কপালের দূর্ঘটনা। ৭২ মিনিটের সময় ডাইভ দিয়ে লাল কার্ড দেখলেন ব্রিল এমবোলো। তার এই ড্রাইভটি যে সাজানো ছিলো সেটা আর্জেন্টিার ফ্রেড্রেস প্রতিবাদ জানালে রিভিউ দেখে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলোকে প্রথমে হলুদ কার্ড ও পরে লাল কার্ড দেখান। এর ফলে তাঁকে ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ডটি বাতিল হয়ে গেল।

এরপর থেকে দশজন নিয়ে খেলে সুইজারল্যান্ড। একজন খেলোয়াড় কমে যাওয়ায় এবং দলের সবচে আক্রমনাত্মক খেলোয়াড়টির শুন্যস্থান পূরনে কিছুটা রক্ষনাত্মক হয়ে যায় সুইসরা। এর ফলে আর্জেন্টিনা একের পর আক্রমন করেও সুইস দূর্গ ভাঙতে পারেনি। তবে ম্যাচের ১১৪ মিনিটে খুঁজে পেলো সুইজারল্যান্ডের গোলবারের নিশানা। আর সেই নিশানা খুঁজে পান দীর্ঘদিন ধরে ছন্দে না থাকা হুলিয়ান আলভারেজ। ২৫ গজ দূর থেকে করা তাঁর এই গোলে  আর্জেন্টিনা ২–১ এ এগিয়ে যায়। আলভারাজের দুর্দান্ত এই গোলে ম্যাচের চেহারা পাল্টে যায়। এরপর সুইসদের জালে শেষ পেরেকটি মারেন লাউতারো মার্টিনেজ।  ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন তিনি।

কানসাস সিটিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের হাতে ছিল কালো আর্মব্যান্ড। সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্তোনিও রাতিনকে স্মরণ করে এই আর্মব্যান্ড পরেন মেসিরা।

একই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলার জেডেন অ্যাডামসের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছে দুই দল। এবারের বিশ্বকাপেই দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছিলেন অ্যাডামস। সম্প্রতি তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

চলে গেলে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি রাতিন

আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্তোনিও রাতিন মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তাঁর সাবেক ক্লাব বোকা জুনিয়র্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। রাতিন ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছিলেন। এর মধ্যে ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর বিতর্কিত বহিষ্কারই ফুটবলে বড় এক পরিবর্তনের সূচনা করে। সেই ঘটনার পর ১৯৭০ বিশ্বকাপ থেকে লাল ও হলুদ কার্ড চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আর্জেন্টিনার একাদশ :

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।

সুইজারল্যান্ডের একাদশ :

গ্রেগর কোবেল, দেনিস জাকারিয়া, নিকো এলভেদি, মানুয়েল আকাঞ্জি, রিকার্দো রদ্রিগেজ, রেমো ফ্রয়েলার, গ্রানিত জাকা, ফাবিয়ান রিডার, জিব্রিল সো, ড্যান এনদোয়ে, ব্রিল এমবোলো।