ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিরতিতে স্পেন-বেলজিয়াম ছিল সমানে সমান

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / ৪১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের বিরতিতে যাবার আগেই স্পেন এবং বেলজিয়াম দুই দলই ছিলো সমানে সমান। যদিও আক্রমনে এগিয়ে ছিলো স্পেন। তাদের নান্দনিক ফুটবল বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। এবার দলের প্রথম একাদশে ছিলেন তরুণ লামিন ইয়ামেল। অসম্ভব গতি সম্পন্নই শুধু নন, তার পায়ের কারুকার্য ইতিমধ্যে সবার নজর কেড়েছে। যদিও তিনি বিরতির আগ পর্যন্ত কোন গোল পাননি।

তবে ত্রিশ মিনিটে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে নিয়ে যায় ফাবিয়ান রইজ। দারুণ এক আক্রমনে দানি ওলমোরের প্রচেষ্টা থামিয়ে দেন বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। কিন্তু ফিরতি শটে কাছাকাছি স্থানে থাকা ফাবিয়ান রুইজ বল জালে জড়ান। ম্যাচে এগিয়ে  বেশ যাবার পরপরেই আরো বেশ কয়েকটি জোরালো আক্রমনে যায় স্পেন। ইয়ামেলের দারুণ এক শর্ট বার ঘেষে চলে যায়।

অবশ্য সেই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্পেন। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে চার্লস ডি কেটেলারের গোলে সমতায় ফিরে বেলজিয়াম। কাউন্টার এ্যাটাকে বেলজিয়াম উঠে আসতেই স্পেনের রক্ষণের ওয়াল ভেঙ্গে যায়। ডান প্রান্ত থেকে টিমোথি কাস্তানিয়ের দারুণ এক ক্রস থেকে অসাধারণ হেডে জাল খুঁজে নেন কেটেলারার। পাউ কুবারসি সামনে গিয়ে দূর্দান্তভাবে অবস্থান নিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠান বেলজিয়ামের এই ফরোয়ার্ড। ৪১ মিনিটের সময় ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফেরার পর প্রথমার্ধের বাকি সময় আর কোন গোল হয়নি।

তবে গোলের সংখ্যা বাদ দিলে বলা যায় পুরোটা সময় বল দখলে ছিলেন স্প্যানিশরা। তাদের ছন্দময় ফুটবল, নিখুত পাসিং,প্লেসিং নজর কাড়ার। বিশেষ করে তরুন লমিন ইয়ামেল। তার অসাধারণ ড্রিবং প্রতিপক্ষের রক্ষণে ছিলো ত্রাস ছড়ানো। যদিও কোন গোল পাননি তখনো। কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষনকে সারাক্ষণ ব্যস্ত রাখেন স্প্যানিশ এই ১৯ বছরের কিশোর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিরতিতে স্পেন-বেলজিয়াম ছিল সমানে সমান

আপডেট সময় : ০২:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের বিরতিতে যাবার আগেই স্পেন এবং বেলজিয়াম দুই দলই ছিলো সমানে সমান। যদিও আক্রমনে এগিয়ে ছিলো স্পেন। তাদের নান্দনিক ফুটবল বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। এবার দলের প্রথম একাদশে ছিলেন তরুণ লামিন ইয়ামেল। অসম্ভব গতি সম্পন্নই শুধু নন, তার পায়ের কারুকার্য ইতিমধ্যে সবার নজর কেড়েছে। যদিও তিনি বিরতির আগ পর্যন্ত কোন গোল পাননি।

তবে ত্রিশ মিনিটে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে নিয়ে যায় ফাবিয়ান রইজ। দারুণ এক আক্রমনে দানি ওলমোরের প্রচেষ্টা থামিয়ে দেন বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। কিন্তু ফিরতি শটে কাছাকাছি স্থানে থাকা ফাবিয়ান রুইজ বল জালে জড়ান। ম্যাচে এগিয়ে  বেশ যাবার পরপরেই আরো বেশ কয়েকটি জোরালো আক্রমনে যায় স্পেন। ইয়ামেলের দারুণ এক শর্ট বার ঘেষে চলে যায়।

অবশ্য সেই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্পেন। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে চার্লস ডি কেটেলারের গোলে সমতায় ফিরে বেলজিয়াম। কাউন্টার এ্যাটাকে বেলজিয়াম উঠে আসতেই স্পেনের রক্ষণের ওয়াল ভেঙ্গে যায়। ডান প্রান্ত থেকে টিমোথি কাস্তানিয়ের দারুণ এক ক্রস থেকে অসাধারণ হেডে জাল খুঁজে নেন কেটেলারার। পাউ কুবারসি সামনে গিয়ে দূর্দান্তভাবে অবস্থান নিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠান বেলজিয়ামের এই ফরোয়ার্ড। ৪১ মিনিটের সময় ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফেরার পর প্রথমার্ধের বাকি সময় আর কোন গোল হয়নি।

তবে গোলের সংখ্যা বাদ দিলে বলা যায় পুরোটা সময় বল দখলে ছিলেন স্প্যানিশরা। তাদের ছন্দময় ফুটবল, নিখুত পাসিং,প্লেসিং নজর কাড়ার। বিশেষ করে তরুন লমিন ইয়ামেল। তার অসাধারণ ড্রিবং প্রতিপক্ষের রক্ষণে ছিলো ত্রাস ছড়ানো। যদিও কোন গোল পাননি তখনো। কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষনকে সারাক্ষণ ব্যস্ত রাখেন স্প্যানিশ এই ১৯ বছরের কিশোর।