২০ দেশের অংশগ্রহনে বৃহস্পতিবার ঢাকায় বসছে পর্যটন মেলা
- আপডেট সময় : ০৬:২৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৮ বার পড়া হয়েছে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বাড়ানো ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনের বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬।ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) আয়োজনে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এবার অনুষ্ঠিত হবে মেলার ১৪তম আসর।
এতে ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন প্রতিনিধি ও সংস্থা অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজকেরা। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ‘এআই পাওয়ার ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেসটিনেশন’।আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতের বিকাশ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জোরদার করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য।সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।
এসময় সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ও মেলার প্রধান সমন্বয়কারী মো. রাফেউজ্জামান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলামসহ আয়োজক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।আয়োজকেরা জানান, মেলায় নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানসহ ২০টিরও বেশি দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থা অংশ নেবে। মেলার টাইটেল স্পনসর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল, ২২০টির বেশি প্রদর্শক এবং ২৫০ জনের বেশি সম্ভাব্য ব্যবসায়িক ক্রেতা অংশ নেবেন বলে আশা করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি ব্যবসায়িক দর্শনার্থী ও ৬০ হাজারের বেশি সাধারণ দর্শনার্থীর সমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হলে বিমান সংস্থা, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরদের অংশগ্রহণে পর্যটন খাতের বিভিন্ন সেবা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে।সংবাদ সম্মেলনে টোয়াব সভাপতি বলেন, গত ১৩টি আয়োজনের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এ মেলা দেশের পর্যটনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পাশাপাশি বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকেরা জানান, মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও এফবিসিসিআই।মেলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বিমান সংস্থা সহযোগী, ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট আতিথেয়তা সহযোগী এবং সেবার বৈশ্বিক পরিবেশনা ব্যবস্থার সহযোগী হিসেবে থাকছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তি, জনসংযোগ, পরিবহন ও অন্যান্য সেবায় সহযোগিতা করবে।টোয়াবের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পর্যটনকে বিশ্ববাজারে পরিচিত করা এবং আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে দেশের পর্যটন খাতের সংযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশীয় পর্যটনের বিকাশে কাজ করছে সংগঠনটি।























