লিগে অমিতের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি
- আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
একটি টেস্ট খেলে বাদ পড়েছিলেন অমিত হাসান। এরপর আর জাতীয় দলে জায়গা হয়নি তার। সেই অমিতই এবার জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি হাঁঁকালেন। চলতি বছরই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটি খেলেছিলেন। জাতীয় দলের হয়ে ওই টেস্টে দুই ইনিংসে ৪ এবং ২৫ রান করেন। যার ফলে অস্ট্রেলিয়া সফর এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে আর সুযোগ মেলেনি তার। জাতীয় ক্রিকেট লিগে যেন সেই ঝালাটা মেটালেন ২৫ ববছর বয়সের এই ব্যাটার। ১৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩৫ বলে ২০১ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি।
ঢাকা বিভাগের জয়
জয়ের পথেই ছিল ঢাকা বিভাগ। শেষ দিন তাদের দরকার ছিল ৫ উইকেটের। দ্রুতই রাজশাহীকে গুটিয়ে দিয়ে মৌসুমের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে তারা।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে রাজশাহীকে ইনিংস এবং ১০৩ রানে হারিয়ে বোনাস পয়েন্টও নিশ্চিত করেছে ঢাকা। আগের তিন ম্যাচ ড্র করা দলের এটি প্রথম জয়। সব মিলিয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে গেছে তারা। সমান ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে রাজশাহী।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ঢাকা ১ম ইনিংস: ৫২১
রাজশাহী ১ম ইনিংস: ১৬২
রাজশাহী ২য় ইনিংস: (ফলোঅন) (আগের দিন ২১৫/৫) ৭০.৪ ওভারে ২৫৬ (সাব্বির রহমান ৬৪, মেহেরব ৩৩, সানজামুল ২৭; সুমন ১০.৪-২-৪১-২, রিপন ১২-০-৬২-২, তাইবুর ১৭-৮-৩৮-১, আমিনুল ১৫-১-৫৩-১, এনামুল ১৪-২-৪৮-৩, আনিসুল ২-১-৮-১)
ফল: ঢাকা ইনিংস ও ১০৩ রানে জয়ী
ম্যাচসেরা: নাঈম শেখ
অমিতের দ্বিতীয় ডাবল
কক্সবাজারে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে প্রথম তিন দিনে সব মিলিয়ে পড়েছিল মাত্র ৪ উইকেট। শেষ দিন অপেক্ষা ছিল অমিত হাসানের ডাবল সেঞ্চুরির। সেটি পূরণ করতে বেশি সময় নেননি উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। অমিতের ডাবল পূর্ণ হতেই ৬ উইকেটে ৬৩২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে সিলেট।
জবাবে ৭ উইকেটে ১৯৯ রান নিয়ে কোনোমতে ড্র করে খুলনা। চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রয়ে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই রইল তারা। সমান ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে সিলেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট ১ম ইনিংস: (আগের দিন ৫৭৫/৪) ১৮০ ওভারে ৬৩২/৬ডি. (অমিত ২০১*, আশরাফুল ১১৪; মেহেদি ১৯-২-৭১-১, সৌম্য ১০-১-৪৪-১, রাকিব ৪৩-৩-১৬৬-২, তানভির ৫৭-৫-১৬০-২)
খুলনা ১ম ইনিংস: ৬১ ওভারে ১৯৯/৭ (এনামুল ১৮, আজিজুল ১৬, সৌম্য ১২, মিঠুন ৬১, আফিফ ৫০, সোহান ৫, জিয়াউর ২৬; নাসুম ২৫-২-৭৮-৩, গালিব ১৪-২-৫৫-২, মুবিন ১-০-৮-১)
ফল: ম্যাচ ড্র
ম্যাচসেরা: অমিত হাসান
মিম-নবীনের সেঞ্চুরি
সিলেটের একাডেমি মাঠে রংপুর-বরিশাল ম্যাচও ড্র হয়েছে। রংপুর ৫ উইকেটে ২৮৮ রান করলে শেষ হয় ম্যাচ। মিম মোসাদ্দেক আবারও পান সেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে এবার তিনি খেলেন ১২ চার ও ১ ছক্কায় ১২১ রানের ইনিংস।
মিডল অর্ডারে নেমে নবীন ইসলামও পান সেঞ্চুরির দেখা। তার ব্যাট থেকে আসে ১৪ চার ও ১ ছক্কায় ১০৪ রান।
চার ম্যাচে রংপুরের এটি তৃতীয় ড্র। অন্য ম্যাচটি হেরে সব মিলিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাত নম্বরে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সবার নিচেই বরিশাল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রংপুর ১ম ইনিংস: ৪০২
বরিশাল ১ম ইনিংস: ৪৪৩/৯ ডি.
রংপুর ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৫/০) ৭৮ ওভারে ২৮৮/৫ (মিম ১২১, ইকবাল ২২, নবীন ১০৪; কামরুল ১৫-০-৭৩-২, মইন ১২-১-৩১-২, জাওয়াদ ২-১-৩-১)
ফল: ম্যাচ ড্র
ম্যাচসেরা: মিম মোসাদ্দেক
ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম লড়াইও ড্র
বগুড়ায় ড্র হয়েছে ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামের ম্যাচও। শাহ পরানের ১৬৩ রানের হার না মানা ইনিংসে ৫৯৯ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। জবাবে ৫ উইকেটে ৬১ রান নিয়ে ড্র করে ময়মনসিংহ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ময়মনসিংহ ১ম ইনিংস: ৪৬৫/৭ ডি.
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: (আগের দিন ৪২৪/৬) ১৬৫.৩ ওভারে ৫৯৯ (শাহ পরান ১৬৩*, মুরাদ ২২; ইয়াসিন ২২-২-৬৬-৩, রকিবুল ৬১.৩-১০-১৮৮-৪, রিজান ১১-২-৪০-১, শুভাগত ৩৩-৪-১৪৬-২)
ময়মনসিংহ ২য় ইনিংস: ৩০ ওভারে ৬১/৫ (মাহফিজুল ০, খালিদ ৯, মুনিম ৪; ইফরান ৭-২-১৬-১, সঞ্জিত ৭-১-২০-২, শরিফ ৪-১-১০-১, জয় ৫-১-৪-১)
ফল: ম্যাচ ড্র
ম্যাচসেরা: মাহফিজুল ইসলাম।






















