ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

চাকরিতে যোগ দিতে এসে ফেঁসে যাওয়া তিন আসামী রিমান্ডে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / ৪৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র দাখিল করতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া তিনজনকে প্রতারণার মামলায় একদিন রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এই আদেশ দেন।

এদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চার আসামিকে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নিতে আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক তিনজনের রিমান্ডের আদেশ দেন এবং আরেক আসামি মো. আলিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদেশ দেন।

এর আগে গত সোমবার তাদের ভিন্ন আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন—মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলী হায়দার (২৯) এবং মো. মাসুদ ফকির (৩১)।

নথি থেকে জানা গেছে, গত রোববার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হয়। এ সময় চেহারায় অসংগতি ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষাহ

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চাকরিতে যোগ দিতে এসে ফেঁসে যাওয়া তিন আসামী রিমান্ডে

আপডেট সময় : ১১:১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র দাখিল করতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া তিনজনকে প্রতারণার মামলায় একদিন রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এই আদেশ দেন।

এদিন ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চার আসামিকে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নিতে আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক তিনজনের রিমান্ডের আদেশ দেন এবং আরেক আসামি মো. আলিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদেশ দেন।

এর আগে গত সোমবার তাদের ভিন্ন আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন—মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলী হায়দার (২৯) এবং মো. মাসুদ ফকির (৩১)।

নথি থেকে জানা গেছে, গত রোববার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।

নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হয়। এ সময় চেহারায় অসংগতি ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষাহ