ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

এইচএসসির ফলে বড় ধাক্কা, পাসের হার কমে ৫২ শতাংশে, এক বছরে জিপিএ-৫ কমেছে ২৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫—দুই সূচকেই বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট কম। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ। গত বছর যেখানে ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেছিলেন, এবার সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ৪০ হাজার ৮৪ জনে।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সকাল ১১টার পর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। শতকরা হিসাবে এ হ্রাসের পরিমাণ প্রায় ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ শুধু পাসের হারেই নয়, সর্বোচ্চ ফল অর্জনের ক্ষেত্রেও এবার শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্র উঠে এসেছে।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলেও দেখা গেছে একই প্রবণতা। এসব বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। সে হিসাবে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন শিক্ষার্থীরা।

গত ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। অধিকাংশ শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা এবারের এইচএসসি পরীক্ষার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। বিশেষ করে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার কমে যাওয়ায় ফলাফলের সামগ্রিক চিত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এইচএসসির ফলে বড় ধাক্কা, পাসের হার কমে ৫২ শতাংশে, এক বছরে জিপিএ-৫ কমেছে ২৯ হাজার

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫—দুই সূচকেই বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট কম। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ। গত বছর যেখানে ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেছিলেন, এবার সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ৪০ হাজার ৮৪ জনে।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সকাল ১১টার পর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। শতকরা হিসাবে এ হ্রাসের পরিমাণ প্রায় ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ শুধু পাসের হারেই নয়, সর্বোচ্চ ফল অর্জনের ক্ষেত্রেও এবার শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার চিত্র উঠে এসেছে।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলেও দেখা গেছে একই প্রবণতা। এসব বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। সে হিসাবে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন শিক্ষার্থীরা।

গত ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। অধিকাংশ শিক্ষা বোর্ডে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা এবারের এইচএসসি পরীক্ষার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। বিশেষ করে এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার কমে যাওয়ায় ফলাফলের সামগ্রিক চিত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।