ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিনা দোষে ১৩ বছর বন্দি কেয়ারটেকার এনামুলের জামিন চায় সাগর- রুনি পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২১৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় দীর্ঘ সাড়ে ১৩ বছর ধরে কারাগারে থাকা নিরাপত্তাপ্রহরী এনামুলের জামিন চেয়েছে নিহত সাগর-রুনির পরিবার।

মামলার তদন্তকারী টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে এনামুলের এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ সাড়ে ১৩ বছর ধরে টানা কারাবাসের কারণে তিনি এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন।

হত্যাকাণ্ডে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ না মেলায় এনামুলকে নিরপরাধ উল্লেখ করে তার দ্রুত জামিন ও মুক্তির দাবি জানিয়েছে সাগর-রুনির পরিবার।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় এই সাংবাদিক দম্পতি নৃশংসভাবে খুন হন। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন। রুনি ছিলেন এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক।

সাগর-রুনি হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে এ মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। চার দিন পর মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালত র‍্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। তখন থেকে মামলাটির তদন্ত করছিল র‍্যাব। র‍্যাবের তদন্তকালে প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছায় ১১২ বার। দীর্ঘ সময় পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তারা।

পরে এ মামলার তদন্তে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। টাস্কফোর্সকে মামলার তদন্ত ছয় মাসের মধ্যে শেষ করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিনা দোষে ১৩ বছর বন্দি কেয়ারটেকার এনামুলের জামিন চায় সাগর- রুনি পরিবার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় দীর্ঘ সাড়ে ১৩ বছর ধরে কারাগারে থাকা নিরাপত্তাপ্রহরী এনামুলের জামিন চেয়েছে নিহত সাগর-রুনির পরিবার।

মামলার তদন্তকারী টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে এনামুলের এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ সাড়ে ১৩ বছর ধরে টানা কারাবাসের কারণে তিনি এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন।

হত্যাকাণ্ডে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ না মেলায় এনামুলকে নিরপরাধ উল্লেখ করে তার দ্রুত জামিন ও মুক্তির দাবি জানিয়েছে সাগর-রুনির পরিবার।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় এই সাংবাদিক দম্পতি নৃশংসভাবে খুন হন। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন। রুনি ছিলেন এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক।

সাগর-রুনি হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে এ মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। চার দিন পর মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালত র‍্যাবকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। তখন থেকে মামলাটির তদন্ত করছিল র‍্যাব। র‍্যাবের তদন্তকালে প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছায় ১১২ বার। দীর্ঘ সময় পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তারা।

পরে এ মামলার তদন্তে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। টাস্কফোর্সকে মামলার তদন্ত ছয় মাসের মধ্যে শেষ করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।