নতুন কুড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে আসবে আগামীর প্রজন্ম
- আপডেট সময় : ০৮:৩১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের তুলে আনতেই ‘নতুন কুঁড়ি’র আয়োজন। এই আয়োজনের প্রথম আসরে বিজয়ী অনেক খুদে খেলোয়াড় এখন বিকেএসপিতে উন্নত প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। আমরা তাদের হারিয়ে যেতে দিতে চাই না; বরং তাদের প্রতিষ্ঠিত ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি পড়াশোনার সব খরচ সরকার বহন করবে৷
আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
এর আগে আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকালে খুলনায় নতুন কুঁড়ির প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক এই তথ্য জানান।
মাদকমুক্ত ও সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রজন্মের হাত ধরেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আসবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, সমাজ ব্যবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার দিকে আরও বেশি করে এগিয়ে নিয়ে আসা দরকার।
খুলনার ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক স্টেডিয়ামে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এছাড়া আগামী জানুয়ারি থেকে প্রণীত নতুন ক্রীড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বছরজুড়েই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও খেলাধুলা সচল থাকবে।
খুলনার ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, খুলনা জেলা স্টেডিয়ামকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক স্টেডিয়ামে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এছাড়া আগামী জানুয়ারি থেকে প্রণীত নতুন ক্রীড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বছরজুড়েই বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ও খেলাধুলা সচল থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশজুড়ে দারুণ সাড়া জাগানো এই প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার তরুণ খেলোয়াড় অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এর বিপরীতে প্রথম আসরে নিবন্ধিত প্রতিযোগীর সংখ্যা ছিল মোটে ১ লাখ ৬৮ হাজার।
এবারের আসরে নিবন্ধনকারীদের মধ্য থেকে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হবে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ উদীয়মান ক্রীড়াবিদ এই বিশাল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। আগামী বছরের মে অথবা জুন মাসের মধ্যে এই আসরের চূড়ান্ত পর্ব শেষ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়াম, বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। পরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’ (সিজন-২) এর উদ্বোধন প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো: মাহফুজুল আলম খানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলামসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।





















