ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

হাসিনাকে ফেরত না পাঠালে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে ভারত সফর হচ্ছে না তা দু’দিন আগেই ইন্ডিয়ান ট্রিবিউননে জানান দিয়েছে৷ আজ বাংলাদেশ সরকার কতৃক এক বিবৃতিতে সে সত্যতার প্রকাশ পেয়েছে৷

অর্শেথাৎ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠানো হলে ভারত সফর করবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম।

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ফেরত পাঠাতে ঢাকা বারবার দিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছে।

শহীদুল করিম বলেন, আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই। সম্ভাব্য এ সফরের আগে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে আমরা শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিদের দেশে ফেরত পাঠাতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ করছেন। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

শহীদুল করিম আরও বলেন, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ভারতের জবাবের অপেক্ষায় আছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (বাংলাদেশ প্রথম) নীতি অব্যাহত রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাসিনাকে ফেরত না পাঠালে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে ভারত সফর হচ্ছে না তা দু’দিন আগেই ইন্ডিয়ান ট্রিবিউননে জানান দিয়েছে৷ আজ বাংলাদেশ সরকার কতৃক এক বিবৃতিতে সে সত্যতার প্রকাশ পেয়েছে৷

অর্শেথাৎ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠানো হলে ভারত সফর করবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম।

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ফেরত পাঠাতে ঢাকা বারবার দিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছে।

শহীদুল করিম বলেন, আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই। সম্ভাব্য এ সফরের আগে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে আমরা শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক আসামিদের দেশে ফেরত পাঠাতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ করছেন। তবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে যেভাবে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়ার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

শহীদুল করিম আরও বলেন, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ভারতের জবাবের অপেক্ষায় আছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (বাংলাদেশ প্রথম) নীতি অব্যাহত রাখবে।