ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

শিপইয়ার্ডের বিষাক্ত গ্যাসে সীতাকুন্ডে মৃত্যুর রোল, নেই কোন পেশাগত নিরাপত্তা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৬১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায়শ শোনা যায় জাহাজ কাটতে গিয়ে গ্যাসে নির্গত হওয়ার কারণে মৃত্যু খবর। এটি যেন দেখার কেউ নেই। না আছে কোন সরকারি তদারকি কিংবা মালিক পক্ষ থেকেও নেয়া হচ্ছে না কোন পেশাগত নিরাপত্তা। জানা যায় নিয়ম না মানার কারণে গত ১৫ জুলাই সীতাকুন্ডের ‘ফেরদৌস করপোরেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করেছিল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)।

কিন্তু এরপরেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে শিপইয়ার্ডের কাজ চালানোর একপর্যায়ে আজ শুক্রবার বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু হলো। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকায় ওই প্রতিষ্ঠানের ফেরদৌস স্টিলের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে আজ সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ডিআইএফইয়ের এক তাৎক্ষণিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়ার্ডে নোঙর করা এলএনজি পরিবহন করা একটি পুরোনো জাহাজের ভেতরে স্ক্র্যাপ কাটিংয়ের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। কাজ চলাকালে হঠাৎ জাহাজের ভেতরে গ্যাস লিকেজ হয়ে অতিরিক্ত কার্বন মনোক্সাইড ছড়িয়ে পড়ে।

এতে অক্সিজেনের অভাবে তীব্র শ্বাসকষ্ট ও অনেক শ্রমিক অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলেই ৫ শ্রমিক মারা যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জন মারা যান। বিকেলে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেক শ্রমিক।

তার আগে সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, এ ঘটনায় মোট মোট আটজন মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ছয়জনের মরদেহ রাখা আছে। ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইয়ার্ডসংলগ্ন সাগরে থাকা একটি কর্তনরত জাহাজে দুর্ঘটনার পর ছয়জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম বলেন, ছয়জনকে হাসপাতালে আনা হলে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাদের মরদেহ হাসপাতালের লাশঘরে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে আহত ব্যক্তিও মারা গেছেন।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুন বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ড থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আরও ‍তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, জাহাজটি কাটার সময় সেখানে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ইয়ার্ডের ম্যানেজার মো. ইউসুফ বলেন, একটি এলএনজি জাহাজ কাটা হচ্ছিল এবং জাহাজটির কাটার কাজ শেষ পর্যায়ে ছিল।
তিনি বলেন, জাহাজের একটি অংশে তরল বর্জ্য দেখতে পেয়ে সেফটি অফিসারসহ কয়েকজন সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানেই দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম বলেন, তারা দুর্ঘটনার খবর পেয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, একটি টিম ঘটনাস্থলে গেছে।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) ডিআইজি মাহবুব হাসান বলেন, আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। ঘটনার কারণ জানতে আমরা কাজ করছি।

শ্রমিকনেতা ফজলুর কবির মিন্টু বলেন, ওই জাহাজের ভেতরে জমে থাকা তরল বর্জ্য বা গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা না করে শ্রমিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা মালিকপক্ষের গাফিলতি। তাছাড়া বন্ধের দিন সেখানে কাজ চলছিল। বিষয়গুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা ইয়ার্ডে কাজ করার সময় হঠাৎ বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১৫-২০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রথমে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ অবশ্য জানান হতাহতদের অনেকে শ্রমিক নন, উৎসুক জনতা। তিনি বলেন, শুক্রবার ইয়ার্ড বন্ধ ছিল। সকাল ১০টার দিকে একটি স্ক্র্যাপ এলএনজি জাহাজের ট্যাংকে লিকেজ হয়। স্থানীয় অনেকে বিষয়টি দেখতে গেলে গ্যাসে আক্রান্ত হন।

ইয়ার্ডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুজ্জামান বলেন, এখানে বিস্ফোরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গ্যাস লিক হয়ে বিষক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন। অনেকে প্রথমে এটিকে বিস্ফোরণ বলে মনে করেছিলেন।

চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার (এসপি) মাহমুদা বেগমও ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিস্ফোরণের খবর সঠিক নয়। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মাহবুবুল হাসান বলেন, ১০ শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মারা গেছেন। বাকিদের সর্বশেষ অবস্থা এখনো জানা যায়নি। গ্যাস নির্গমন নাকি বিস্ফোরণ, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ইয়ার্ডে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিপইয়ার্ডের বিষাক্ত গ্যাসে সীতাকুন্ডে মৃত্যুর রোল, নেই কোন পেশাগত নিরাপত্তা

আপডেট সময় : ০৬:১৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

প্রায়শ শোনা যায় জাহাজ কাটতে গিয়ে গ্যাসে নির্গত হওয়ার কারণে মৃত্যু খবর। এটি যেন দেখার কেউ নেই। না আছে কোন সরকারি তদারকি কিংবা মালিক পক্ষ থেকেও নেয়া হচ্ছে না কোন পেশাগত নিরাপত্তা। জানা যায় নিয়ম না মানার কারণে গত ১৫ জুলাই সীতাকুন্ডের ‘ফেরদৌস করপোরেশন লিমিটেডের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করেছিল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)।

কিন্তু এরপরেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে শিপইয়ার্ডের কাজ চালানোর একপর্যায়ে আজ শুক্রবার বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু হলো। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকায় ওই প্রতিষ্ঠানের ফেরদৌস স্টিলের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে আজ সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ডিআইএফইয়ের এক তাৎক্ষণিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়ার্ডে নোঙর করা এলএনজি পরিবহন করা একটি পুরোনো জাহাজের ভেতরে স্ক্র্যাপ কাটিংয়ের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। কাজ চলাকালে হঠাৎ জাহাজের ভেতরে গ্যাস লিকেজ হয়ে অতিরিক্ত কার্বন মনোক্সাইড ছড়িয়ে পড়ে।

এতে অক্সিজেনের অভাবে তীব্র শ্বাসকষ্ট ও অনেক শ্রমিক অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলেই ৫ শ্রমিক মারা যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জন মারা যান। বিকেলে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেক শ্রমিক।

তার আগে সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, এ ঘটনায় মোট মোট আটজন মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ছয়জনের মরদেহ রাখা আছে। ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইয়ার্ডসংলগ্ন সাগরে থাকা একটি কর্তনরত জাহাজে দুর্ঘটনার পর ছয়জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম বলেন, ছয়জনকে হাসপাতালে আনা হলে পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাদের মরদেহ হাসপাতালের লাশঘরে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে আহত ব্যক্তিও মারা গেছেন।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুন বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ড থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আরও ‍তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, জাহাজটি কাটার সময় সেখানে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ইয়ার্ডের ম্যানেজার মো. ইউসুফ বলেন, একটি এলএনজি জাহাজ কাটা হচ্ছিল এবং জাহাজটির কাটার কাজ শেষ পর্যায়ে ছিল।
তিনি বলেন, জাহাজের একটি অংশে তরল বর্জ্য দেখতে পেয়ে সেফটি অফিসারসহ কয়েকজন সেখানে গিয়েছিলেন। সেখানেই দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম বলেন, তারা দুর্ঘটনার খবর পেয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, একটি টিম ঘটনাস্থলে গেছে।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) ডিআইজি মাহবুব হাসান বলেন, আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। ঘটনার কারণ জানতে আমরা কাজ করছি।

শ্রমিকনেতা ফজলুর কবির মিন্টু বলেন, ওই জাহাজের ভেতরে জমে থাকা তরল বর্জ্য বা গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা না করে শ্রমিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা মালিকপক্ষের গাফিলতি। তাছাড়া বন্ধের দিন সেখানে কাজ চলছিল। বিষয়গুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা ইয়ার্ডে কাজ করার সময় হঠাৎ বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১৫-২০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রথমে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইউসুফ অবশ্য জানান হতাহতদের অনেকে শ্রমিক নন, উৎসুক জনতা। তিনি বলেন, শুক্রবার ইয়ার্ড বন্ধ ছিল। সকাল ১০টার দিকে একটি স্ক্র্যাপ এলএনজি জাহাজের ট্যাংকে লিকেজ হয়। স্থানীয় অনেকে বিষয়টি দেখতে গেলে গ্যাসে আক্রান্ত হন।

ইয়ার্ডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুজ্জামান বলেন, এখানে বিস্ফোরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গ্যাস লিক হয়ে বিষক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন। অনেকে প্রথমে এটিকে বিস্ফোরণ বলে মনে করেছিলেন।

চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার (এসপি) মাহমুদা বেগমও ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিস্ফোরণের খবর সঠিক নয়। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মাহবুবুল হাসান বলেন, ১০ শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মারা গেছেন। বাকিদের সর্বশেষ অবস্থা এখনো জানা যায়নি। গ্যাস নির্গমন নাকি বিস্ফোরণ, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ইয়ার্ডে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।