ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পতিত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ না করার জন্য গণমাধ্যমকে সরকারের অনুরোধ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১১ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

তবে সরকারের এই বিবৃতিতে গণমাধ্যমে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দুটোই দেখা গেছে। একটি পক্ষ বলার চেষ্টা করছে তাহলে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা থাকলো কোথায়? অন্যদিকে আরেকটি পক্ষ মনে করছে পতিত শেখ হাসিনা ফেরারি আসামী। তার বিরুদ্ধে হত্যার মামলার রায়ে মৃত্যুদন্ডের হুকুম আদালত কতৃক রয়েছে। সে ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যক্রম করে যাচ্ছে।

এমন কি ১০ জুলাই সে রয়াটার্সকে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছে, ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরবে এবং আদালতে দলীয় নেতাদেরসহ আত্মসমার্পন করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে আবারো ঘোলাটে করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সচেতনদের মতে, এ সবই ভারতের চাল। শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে সীমান্ত এলাকায় অনবরত পুস ইন করার চেষ্টা করছে। এবার বাংলাদেশ সরকার প্রধান চীন সফরের পর থেকেই পাশবর্তী দেশটি এখন বাংলাদেশের পরিবেশকে অশান্ত করার নতুন পরিকল্পনা করছে। দুই বছর ভিসা প্রসেস বন্ধ রাখার পর সাধারণের জন্য ভারতীয় ভিসা চালু করেছে। এখন শেখ হাসিনাকে দিয়ে রয়াটার্সে ইন্টারভিউ দিয়ে বাংলাদেশকে অশান্তি করার নতুন ফন্দি করা হচ্ছে। সুতরাং এ সকল বিষয়ে সরকারসহ সাধারণ জনগণকেরও সজাগ থাকা দরকার বলে মনে করছেন দেশের সচেতন নাগরিক।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পতিত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ না করার জন্য গণমাধ্যমকে সরকারের অনুরোধ

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১১ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

তবে সরকারের এই বিবৃতিতে গণমাধ্যমে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দুটোই দেখা গেছে। একটি পক্ষ বলার চেষ্টা করছে তাহলে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা থাকলো কোথায়? অন্যদিকে আরেকটি পক্ষ মনে করছে পতিত শেখ হাসিনা ফেরারি আসামী। তার বিরুদ্ধে হত্যার মামলার রায়ে মৃত্যুদন্ডের হুকুম আদালত কতৃক রয়েছে। সে ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যক্রম করে যাচ্ছে।

এমন কি ১০ জুলাই সে রয়াটার্সকে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছে, ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরবে এবং আদালতে দলীয় নেতাদেরসহ আত্মসমার্পন করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে আবারো ঘোলাটে করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সচেতনদের মতে, এ সবই ভারতের চাল। শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে সীমান্ত এলাকায় অনবরত পুস ইন করার চেষ্টা করছে। এবার বাংলাদেশ সরকার প্রধান চীন সফরের পর থেকেই পাশবর্তী দেশটি এখন বাংলাদেশের পরিবেশকে অশান্ত করার নতুন পরিকল্পনা করছে। দুই বছর ভিসা প্রসেস বন্ধ রাখার পর সাধারণের জন্য ভারতীয় ভিসা চালু করেছে। এখন শেখ হাসিনাকে দিয়ে রয়াটার্সে ইন্টারভিউ দিয়ে বাংলাদেশকে অশান্তি করার নতুন ফন্দি করা হচ্ছে। সুতরাং এ সকল বিষয়ে সরকারসহ সাধারণ জনগণকেরও সজাগ থাকা দরকার বলে মনে করছেন দেশের সচেতন নাগরিক।