ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মালয়শিয়া-চীন সফরে যা কিছু অর্জন সবই দেশের মানুষের জন্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ৪১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী হবার পর তারেক রহমান প্রথম সরকারি সফরে যান মালয়শিয়া ও চীনে। সফরে তিনি দেশের মানুষের স্বার্থে কথা বলার পাশাপাশি তাদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে এমনটা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মালয়শিয়া এবং চীন সফর শেষ করেই পরের দিন সংসদ অধিবেশনে যোগদেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দুটি দেশ সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী লাল গালিচা সংবর্ধনা পান। পাশাপাশি রাষ্ট্র দুটির সাথে বেশ ফলপ্রসু আলোচনা হয়। এ নিয়ে সংসদ অধিবেশনেও তারেক রহমানের সফর নিয়ে প্রশংসিত হয়। সরকার এবং বিরোধী দলের নেতারা এই সফরকে অত্যন্ত ইতিবাচক এবং সফল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে তারেক রহমান তার এই সফলতাকে অনাঢ়ম্বর হতে দেননি। সকল আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই তিনি বিমানবন্দর থেকে অতিসাধারণভাবে বাসভবনে ফিরেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই সফরকে ঘিরে সরকারি ও বিরোধী দলের নেতাদের সহযোগিতা পাওয়ায় ধন্যবাদ জানান।  নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

এদিন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনের ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরে বিরোধী দলসহ সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্য আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে।

বিরোধী দলীয় নেতাসহ সব সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু সংসদের সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধী দলীয় নেতা দেশের ও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছেন, সেজন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে বিরোধী দলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এর আগে ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এদিন অধিবেশনের শুরুতে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মালয়শিয়া-চীন সফরে যা কিছু অর্জন সবই দেশের মানুষের জন্য : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হবার পর তারেক রহমান প্রথম সরকারি সফরে যান মালয়শিয়া ও চীনে। সফরে তিনি দেশের মানুষের স্বার্থে কথা বলার পাশাপাশি তাদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যকালে এমনটা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মালয়শিয়া এবং চীন সফর শেষ করেই পরের দিন সংসদ অধিবেশনে যোগদেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দুটি দেশ সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী লাল গালিচা সংবর্ধনা পান। পাশাপাশি রাষ্ট্র দুটির সাথে বেশ ফলপ্রসু আলোচনা হয়। এ নিয়ে সংসদ অধিবেশনেও তারেক রহমানের সফর নিয়ে প্রশংসিত হয়। সরকার এবং বিরোধী দলের নেতারা এই সফরকে অত্যন্ত ইতিবাচক এবং সফল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে তারেক রহমান তার এই সফলতাকে অনাঢ়ম্বর হতে দেননি। সকল আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই তিনি বিমানবন্দর থেকে অতিসাধারণভাবে বাসভবনে ফিরেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই সফরকে ঘিরে সরকারি ও বিরোধী দলের নেতাদের সহযোগিতা পাওয়ায় ধন্যবাদ জানান।  নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

এদিন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনের ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরে বিরোধী দলসহ সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্য আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে।

বিরোধী দলীয় নেতাসহ সব সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু সংসদের সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধী দলীয় নেতা দেশের ও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছেন, সেজন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে বিরোধী দলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এর আগে ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এদিন অধিবেশনের শুরুতে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।