চুুরি হওয়া প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার উদ্ধার, গ্রেফতার দুই
- আপডেট সময় : ০৮:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
- / ৪০ বার পড়া হয়েছে
ভাঙারির দোকানে মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার। এই তারগুলো তামার হওয়ায় টোকাই এবং চেসরে চোর গোষ্ঠীর এদিকে নজর থাকে বেশি। তবে প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার হওয়ায় পার পায়নি চোর গোষ্ঠী। ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের হাতে ধরা পড়ে যায় আসামীরা। চুরির এই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই তামার তার উদ্ধার করা হয়। এরা হচ্ছে-রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ জানায়, চুরি করা তামার তার ভাঙারির দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেছিলেন গ্রেফতাররা।
সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির একটি স্পর্শকাতর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মামলার পর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে।
ঘটনার গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ে আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তার চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনী দালান রোডে একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে সিটিটিসির ধারণা, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
















