ঢাকা ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

গ্রুপ সেরা ইংল্যান্ড, নকআউটে ক্রোয়েশিয়া, ঝুলে গেল ঘানা

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ৮০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইংল্যান্ডের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারেনি পানামা। ইংলিশদের কাছে তারা হেরে যায় ২-০ গোলে। অন্যদিকে দারুণ লড়াইয়ে ফিরেও শেষ ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে নক আউট ঝুলে গেলো ঘানার। দুই ম্যাচ পর্যন্ত পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থেকেও ঘানা হেরে যায় শেষ মূহুর্তের ২-১ গোলে।

তবে এল গ্রুপের গ্রুপ পর্বের শেষ এই ম্যাচে পানামার বিপক্ষে নিজ দেশের হয়ে রেকর্ড গোল করেছেন কেইন। এতোদিন গিনেলিনেকারের দশ গোল ছিলো ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বেকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে অধিনায়ক কেইনের এই মাইলফলক স্পর্শ করার রাতটি হয়ে থাকল স্মরণীয়।

কেইনের গোলের রেকর্ড, পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা ইংল্যান্ড

নিউইয়র্কের নিউ জার্সিতে প্রথমার্ধ জুড়ে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পেতে বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। পানামার জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে মরিয়া ‘থ্রি লায়ন্স’দের অবশেষে স্বস্তি ফেরান জুড বেলিংহাম। ম্যাচের ৬২ মিনিটে বুকায়ো সাকার নিচু করে নেওয়া কর্নার থেকে দারুণ এক ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার।

বেলিংহামের গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই যেন জ্বলে উঠলেন কেইন। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে বেলিংহামের বাড়ানো দারুণ এক ক্রসে হেডার বা শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর এই গোলের মাধ্যমেই বিশ্বকাপে ১১ গোল নিয়ে গ্যারি লিনেকারকে (১০ গোল) ছাড়িয়ে গেলেন কেইন। ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে লিনেকারের সেই অবিস্মরণীয় কীর্তিকে পেছনে ফেলে এখন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ স্কোরার এখন হ্যারি কেইন।

এদিকে ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চিত এক জয়ে নক আউটে জায়গা করে নিলো লুকাভিদের দল ক্রোয়েশিয়া। উত্তেজনা ছড়ানো এই ম্যাচে শেষ ২-১ গোলে হেরে গেলো ঘানা। না হেরে, ড্র করলেও চলত। তাতে গ্রুপ রানার্স হওয়ার সুযোগ ছিলো প্রথম দুই ম্যাচের পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থাকা ঘানার।

আক্রমান-পাল্টা আক্রমনের এই ম্যাচে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। ৩১তম মিনিটে ভিএআর চেকের মাধ্যমে রেফারি গোলটির চূড়ান্ত বৈধতা দেন।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ঘানা। ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আসে কাঙ্খিত সমতাসূচক গোলটি। আর্নেস্ট নুয়ামাহর নেওয়া ফ্রি কিকে বক্সের ভেতর দূরের পোস্টে থাকা ডেরিক লুকাসেন ভলিতে বলটি জালে পাঠান। সহকারী অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরের মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেন রেফারি।

তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে পারেনি ঘানা। ১০ মিনিট পরেই আবারও লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচটি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গ্রুপ সেরা ইংল্যান্ড, নকআউটে ক্রোয়েশিয়া, ঝুলে গেল ঘানা

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

ইংল্যান্ডের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারেনি পানামা। ইংলিশদের কাছে তারা হেরে যায় ২-০ গোলে। অন্যদিকে দারুণ লড়াইয়ে ফিরেও শেষ ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে নক আউট ঝুলে গেলো ঘানার। দুই ম্যাচ পর্যন্ত পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থেকেও ঘানা হেরে যায় শেষ মূহুর্তের ২-১ গোলে।

তবে এল গ্রুপের গ্রুপ পর্বের শেষ এই ম্যাচে পানামার বিপক্ষে নিজ দেশের হয়ে রেকর্ড গোল করেছেন কেইন। এতোদিন গিনেলিনেকারের দশ গোল ছিলো ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বেকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে অধিনায়ক কেইনের এই মাইলফলক স্পর্শ করার রাতটি হয়ে থাকল স্মরণীয়।

কেইনের গোলের রেকর্ড, পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা ইংল্যান্ড

নিউইয়র্কের নিউ জার্সিতে প্রথমার্ধ জুড়ে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পেতে বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। পানামার জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে মরিয়া ‘থ্রি লায়ন্স’দের অবশেষে স্বস্তি ফেরান জুড বেলিংহাম। ম্যাচের ৬২ মিনিটে বুকায়ো সাকার নিচু করে নেওয়া কর্নার থেকে দারুণ এক ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার।

বেলিংহামের গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই যেন জ্বলে উঠলেন কেইন। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে বেলিংহামের বাড়ানো দারুণ এক ক্রসে হেডার বা শটে বল জালে জড়ান তিনি। আর এই গোলের মাধ্যমেই বিশ্বকাপে ১১ গোল নিয়ে গ্যারি লিনেকারকে (১০ গোল) ছাড়িয়ে গেলেন কেইন। ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে লিনেকারের সেই অবিস্মরণীয় কীর্তিকে পেছনে ফেলে এখন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ স্কোরার এখন হ্যারি কেইন।

এদিকে ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চিত এক জয়ে নক আউটে জায়গা করে নিলো লুকাভিদের দল ক্রোয়েশিয়া। উত্তেজনা ছড়ানো এই ম্যাচে শেষ ২-১ গোলে হেরে গেলো ঘানা। না হেরে, ড্র করলেও চলত। তাতে গ্রুপ রানার্স হওয়ার সুযোগ ছিলো প্রথম দুই ম্যাচের পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থাকা ঘানার।

আক্রমান-পাল্টা আক্রমনের এই ম্যাচে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। ৩১তম মিনিটে ভিএআর চেকের মাধ্যমে রেফারি গোলটির চূড়ান্ত বৈধতা দেন।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ঘানা। ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আসে কাঙ্খিত সমতাসূচক গোলটি। আর্নেস্ট নুয়ামাহর নেওয়া ফ্রি কিকে বক্সের ভেতর দূরের পোস্টে থাকা ডেরিক লুকাসেন ভলিতে বলটি জালে পাঠান। সহকারী অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরের মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেন রেফারি।

তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে পারেনি ঘানা। ১০ মিনিট পরেই আবারও লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচটি।