ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের ‘নতুন সংগ্রামে’ নামতে হবে।

শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো—আমরা মানুষকে যে কমিটমেন্ট (কথা) দিয়েছিলাম সে কমিটমেন্টগুলোর বাস্তবায়ন করা।’

তারেক রহমান বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে যে নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম, নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা কিন্তু অনুভব করেছিলেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেওয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।

‘কারণ দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ যারা ভোট দিয়েছে এবংএই ম্যানিফেস্টোর পক্ষে রায় দিয়েছে। কাজেই এখন এই ম্যানিফেস্টোতে আমরা যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে মানুষকে বলেছিলাম, আমরা সুশাসন দেবো। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে। নারী পুরুষ শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।’

তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম, আমাদের ওপরে যেরকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে, তাতে আমার রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চায় দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা ডিবেট করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না। বিএনপির সফলতা তখনই নির্ভর করছে যখন এখানে উপস্থিত প্রত্যেকটি মানুষ সরকারের পেছনে এসে না দাঁড়াবেন।’

এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়। দিন ব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত রয়েছেন।

১২ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের ‘নতুন সংগ্রামে’ নামতে হবে।

শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো—আমরা মানুষকে যে কমিটমেন্ট (কথা) দিয়েছিলাম সে কমিটমেন্টগুলোর বাস্তবায়ন করা।’

তারেক রহমান বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে যে নির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম, নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা কিন্তু অনুভব করেছিলেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেওয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।

‘কারণ দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ যারা ভোট দিয়েছে এবংএই ম্যানিফেস্টোর পক্ষে রায় দিয়েছে। কাজেই এখন এই ম্যানিফেস্টোতে আমরা যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে মানুষকে বলেছিলাম, আমরা সুশাসন দেবো। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে। নারী পুরুষ শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।’

তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম, আমাদের ওপরে যেরকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে, তাতে আমার রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চায় দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা ডিবেট করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না। বিএনপির সফলতা তখনই নির্ভর করছে যখন এখানে উপস্থিত প্রত্যেকটি মানুষ সরকারের পেছনে এসে না দাঁড়াবেন।’

এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়। দিন ব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত রয়েছেন।

১২ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।