টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতেও বড় হার টাইগারদের
- আপডেট সময় : ০৮:৫৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
- / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট সিরিজের ওয়ান ডে সিরিজও হারলো বাংলাদেশ। টি-টুয়েন্টি সিরিজের শুরুটাও ভালো হয়নি টাইগারদের। হারারেতে ৩২ রানের বড় পরাজয় দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করতে নামা স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে রানের পসরা তৈরি করে। ১৭০ রানের বড় একটি লক্ষ্য দাড় করা স্বাগতিকরা। সে স্কোরের পিছনে দৌড়াতে গিয়ে এক ওভার হাতে থাকতেও ১৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় তাওহিদ হৃদয়রা।
টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে তরুণ পেসার নাহিদ রানা জিম্বাবুয়ে শিবিরে ত্রাস সৃষ্টি করেন । তবে এই গতিতারকার বিধ্বংসী বোলিংয়ের পরও জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা।
জিম্বাবুয়ের ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ৩০ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। এছাড়া শেষদিকে রায়ান বার্লের ২৫ বলে ৩০* ও ব্রাড ইভান্সের ১০ বলে ১৯* রানের ঝোড়ো ইনিংস দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেয়। বাংলাদেশের হয়ে বোলিংয়ে ৪ ওভারে ২৬ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার করেন নাহিদ। ৩৫ রান খরচায় ২ উইকেট পান মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

১৭১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাকফুটে ছিল বাংলাদেশ। ২৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ার পর সাইফ হাসান (১২) এবং আক্রমণাত্মক শুরু করা তানজিদ হাসান তামিম (১৬) দ্রুত বিদায় নেন। মিডল অর্ডারে পারভেজ হোসেন ইমন ও অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় পুরোপুরি ব্যর্থ হলে বড় চাপে পড়ে দল।
সেখান থেকে দীর্ঘ তিন বছর পর দলে ফেরা ইয়াসির আলি রাব্বি একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৩৮ বলে ৫৪ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন তিনি। তাকে সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেন শেখ মেহেদি (১৯)। তবে এরপর আর কেউ দায়িত্ব নিতে পারেননি। শেষদিকে সাইফউদ্দিন ও নাসুম আহমেদরাও ব্যর্থ হলে মাত্র ১৩৮ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস এবং পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অভিজ্ঞতার অভাব ছিল স্পষ্ট। টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও শুরুতে হার মানতে হলো তাওহিদ হৃদয়ের দলকে। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে হলে ব্যাটারদের আরও অনেক বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।






















