ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অপ্রতিরোধ্য বার্সেলোনার টানা পঞ্চম জয়

ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ম্যাচের শুরুতে দারুণ পারফরম্যান্স তুলে ধরেও লেভান্তের বিরুদ্ধে শেষ কষ্ট্রের জয় পেল বার্সেলোনা৷  লামিনে ইয়ামাল ও কারিম আডেইয়েমির নৈপুণ্যে ৪-২ গোলের জয় পলো কাতলান ক্লাবটি৷

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) লেভান্তের ঘরের মাঠে বার্ার হয়ে জোড়া গোল করেছেন ইয়ামাল আর একটি করে গোল করেছেন আডেইয়েমি ও জাভি এস্পার্ত। দুটি গোলে অবদান রেখেছেন রাফিনিয়া।

এই জয়ে ৫ ম্যাচে পূর্ণ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান এককভাবে নিজেদের দখলে নিয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে লেভান্তে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা বার্সেলোনা প্রতিপক্ষের মাঠে এগিয়ে যায় মাত্র চতুর্থ মিনিটেই। রাফিনিয়ার কাছ থেকে দারুণ এক পাস পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে দারুণ শটে বল জালে পাঠান এস্পার্ত। পেশাদার ক্লাব ফুটবলে এই তরুণ লেফট ব্যাকের এটি প্রথম গোল। যদিও এস্পার্তের ডান পায়ের শটে সেভাবে গতি ছিল না, তবে লেভান্তের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়িয়ে যাওয়ায় গোলরক্ষক আর করার কিছু পাননি।

ম্যাচের ১৪তম মিনিটে লেভান্তের রাতকভের একটি শট দারুণভাবে ব্লক করেন পাউ কুবার্সি। এর ঠিক পরের মিনিটেই রজার ব্রুগেইয়ের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিরিয়ে দেন বার্সা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া।

তবে খেলায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে ১৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় বার্সেলোনা। রাফিনিয়ার চমৎকার কাটব্যাক থেকে খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি রাফিনিয়ার ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট, আর সব মিলিয়ে তার গোলের সংখ্যা এখন আটটি।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে রক্ষণভাগে কিছুটা গুটিয়ে না থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ব্যবধান কমানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে লেভান্তে। বার্সেলোনার ডিফেন্ডারদের ওপর প্রবল চাপ তৈরি করে তারা।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় বার্সা। ৪৮তম মিনিটে সফল স্পট কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন ইয়ামাল। এর আগে ডি-বক্সে তাকেই ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় শিরোপাধারীরা। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ইয়ামালের সপ্তম গোল।

ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে রাফিনিয়ার নেওয়া শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এর চার মিনিট পর গোললাইন থেকে আইভান রোমেরোর একটি শট ক্লিয়ার করে ব্যবধান বাড়তে দেননি আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিয়ানসেন। পরের মিনিটেই রোমেরোর আরও একটি আক্রমণ নিজের পায়ে প্রতিহত করেন বার্সা গোলরক্ষক।

ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালাতে থাকা লেভান্তে সাফল্য পায় ৭৯তম মিনিটে। বার্সেলোনার রক্ষণভাগের মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে একদম বিপদজনক জায়গায় বল পেয়ে যান রোমেরো। এরপর গার্সিয়াকে অনায়াসে কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে দিলে ম্যাচে উত্তেজনার পারদ চড়ে বড়ে।

এরপর ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে ব্যবধান আরও কমিয়ে আনেন ব্রুগেই। দুই ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া ব্রুগেইয়ের প্রথম শট গোলরক্ষক গার্সিয়া কোনোমতে হাত বাড়িয়ে প্রতিহত করলেও, ফিরতি বলে ঠিকই জাল খুঁজে নেন তিনি।

হঠাৎ করেই ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল বড় চাপে পড়ে যাওয়ায় স্বস্তি ফেরান বদলি নামা কারিম আডেইয়েমি। খেলার যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত গতিতে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের একজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর দারুণ ডজে আরেক ডিফেন্ডারকে বিভ্রান্ত করে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অপ্রতিরোধ্য বার্সেলোনার টানা পঞ্চম জয়

আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ম্যাচের শুরুতে দারুণ পারফরম্যান্স তুলে ধরেও লেভান্তের বিরুদ্ধে শেষ কষ্ট্রের জয় পেল বার্সেলোনা৷  লামিনে ইয়ামাল ও কারিম আডেইয়েমির নৈপুণ্যে ৪-২ গোলের জয় পলো কাতলান ক্লাবটি৷

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) লেভান্তের ঘরের মাঠে বার্ার হয়ে জোড়া গোল করেছেন ইয়ামাল আর একটি করে গোল করেছেন আডেইয়েমি ও জাভি এস্পার্ত। দুটি গোলে অবদান রেখেছেন রাফিনিয়া।

এই জয়ে ৫ ম্যাচে পূর্ণ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান এককভাবে নিজেদের দখলে নিয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে লেভান্তে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা বার্সেলোনা প্রতিপক্ষের মাঠে এগিয়ে যায় মাত্র চতুর্থ মিনিটেই। রাফিনিয়ার কাছ থেকে দারুণ এক পাস পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে দারুণ শটে বল জালে পাঠান এস্পার্ত। পেশাদার ক্লাব ফুটবলে এই তরুণ লেফট ব্যাকের এটি প্রথম গোল। যদিও এস্পার্তের ডান পায়ের শটে সেভাবে গতি ছিল না, তবে লেভান্তের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়িয়ে যাওয়ায় গোলরক্ষক আর করার কিছু পাননি।

ম্যাচের ১৪তম মিনিটে লেভান্তের রাতকভের একটি শট দারুণভাবে ব্লক করেন পাউ কুবার্সি। এর ঠিক পরের মিনিটেই রজার ব্রুগেইয়ের জোরালো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিরিয়ে দেন বার্সা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া।

তবে খেলায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে ১৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় বার্সেলোনা। রাফিনিয়ার চমৎকার কাটব্যাক থেকে খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি রাফিনিয়ার ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট, আর সব মিলিয়ে তার গোলের সংখ্যা এখন আটটি।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে রক্ষণভাগে কিছুটা গুটিয়ে না থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ব্যবধান কমানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে লেভান্তে। বার্সেলোনার ডিফেন্ডারদের ওপর প্রবল চাপ তৈরি করে তারা।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় বার্সা। ৪৮তম মিনিটে সফল স্পট কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন ইয়ামাল। এর আগে ডি-বক্সে তাকেই ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় শিরোপাধারীরা। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ইয়ামালের সপ্তম গোল।

ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে রাফিনিয়ার নেওয়া শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এর চার মিনিট পর গোললাইন থেকে আইভান রোমেরোর একটি শট ক্লিয়ার করে ব্যবধান বাড়তে দেননি আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিয়ানসেন। পরের মিনিটেই রোমেরোর আরও একটি আক্রমণ নিজের পায়ে প্রতিহত করেন বার্সা গোলরক্ষক।

ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালাতে থাকা লেভান্তে সাফল্য পায় ৭৯তম মিনিটে। বার্সেলোনার রক্ষণভাগের মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে একদম বিপদজনক জায়গায় বল পেয়ে যান রোমেরো। এরপর গার্সিয়াকে অনায়াসে কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে দিলে ম্যাচে উত্তেজনার পারদ চড়ে বড়ে।

এরপর ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে ব্যবধান আরও কমিয়ে আনেন ব্রুগেই। দুই ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া ব্রুগেইয়ের প্রথম শট গোলরক্ষক গার্সিয়া কোনোমতে হাত বাড়িয়ে প্রতিহত করলেও, ফিরতি বলে ঠিকই জাল খুঁজে নেন তিনি।

হঠাৎ করেই ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল বড় চাপে পড়ে যাওয়ায় স্বস্তি ফেরান বদলি নামা কারিম আডেইয়েমি। খেলার যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত গতিতে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের একজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর দারুণ ডজে আরেক ডিফেন্ডারকে বিভ্রান্ত করে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড