ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ইরানের ৫ তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জর্ডানে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেহরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দিনে দুবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলে ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের কাছে এসব হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর জবাবে জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। জর্ডান বলেছে, এর মধ্যে ১৮টি ধ্বংস করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোর মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এর মধ্যেই দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি হামলা চালাল। মূলত ইরান এখনো হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ জারি রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে মঙ্গলবারের (৮ সেপ্টেম্বর) এই সংঘাতের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৬ ডলারে উঠেছিল।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত দুই দিনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি ‘সফলভাবে ইরানের হামলা এড়িয়ে যায়’। সেন্টকম বলেছে, ‘কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী আহত হননি।’

এরপর পাল্টা জবাবে ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোতে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সেন্টকম। হামলা চালানো ট্যাংকারগুলো হলো এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১ ও এম/টি রিয়েস্কো। এগুলো ওমান উপসাগরে ছিল। এছাড়া খার্গ দ্বীপের কাছে এম/টি দেরিয়া নামের আরেকটি ট্যাংকারেও হামলা চালানো হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইরানের ৫ তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জর্ডানে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেহরানের

আপডেট সময় : ১২:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দিনে দুবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলে ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের কাছে এসব হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর জবাবে জর্ডানে থাকা মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান। জর্ডান বলেছে, এর মধ্যে ১৮টি ধ্বংস করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোর মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়ল। এর মধ্যেই দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি হামলা চালাল। মূলত ইরান এখনো হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ জারি রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে মঙ্গলবারের (৮ সেপ্টেম্বর) এই সংঘাতের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৬ ডলারে উঠেছিল।

এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত দুই দিনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি ‘সফলভাবে ইরানের হামলা এড়িয়ে যায়’। সেন্টকম বলেছে, ‘কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী আহত হননি।’

এরপর পাল্টা জবাবে ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোতে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সেন্টকম। হামলা চালানো ট্যাংকারগুলো হলো এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১ ও এম/টি রিয়েস্কো। এগুলো ওমান উপসাগরে ছিল। এছাড়া খার্গ দ্বীপের কাছে এম/টি দেরিয়া নামের আরেকটি ট্যাংকারেও হামলা চালানো হয়।