আইচি-নাগোয়ায় রেকর্ড বৃষ্টিও বন্যায় নিরাপদে আছেন বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা
ক্রীড়া ডেস্ক
- আপডেট সময় : ০২:২০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
জাপানের নাগোয়া শহরে রেকর্ড বৃষ্টি ও বন্যায় নিরাপদে আছেন বাংলাদেশের অগ্রগামী অ্যাথলেটরা। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (BOA) এবং নাগোয়ার শেফ ডি মিশন (Chef de Mission) মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাপানে পৌঁছানো বাংলাদেশ দলের অগ্রবর্তী দল ও অ্যাথলেটরা সবাই সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ও নিরাপদ আছেন।

এবারের এশিয়ান গেমসে গেমসের জন্য আলাদা করে কোন ভিলেজ তৈরি করা হয়নি। অর্থ বাচাতে তারা অ্যাথলেটদের আবাসনের তিনটি বিশেষায়িত ব্যবস্থা করেছে। এটি এশিয়ান গেমসে ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্ত। সে সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ দলের মোট ২২টি ডিসিপ্লিনের ৮টি দলের অ্যাথলেট ও অফিশিয়ালদের রাখা ব্যবস্থা করা হয়েছে একটি চার্টার্ড বিলাসবহুল ক্রুজ শিপে (সমুদ্রগামী বড় জাহাজ), যা নাগোয়া বন্দরে নোঙর করা থাকবে। ডিসিপ্লিন গুলো হচ্ছে যথাক্রমে আর্চারি, জিমন্যাস্টিকস, জুডো, কাবাডি, ভারোত্তোলন, কুস্তি (রেসলিং), টেবিল টেনিস ও উশু।
নাগোয়া পোর্টের কিঞ্জো পিয়ারে নোঙর করা এই জাহাজে খেলোয়াড়দের বিনোদন, আহার ও অন্যান্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া হোটেল ও রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল এবং হকির মতো বড় টিমগুলোকে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য ১৯টি পৃথক কক্ষের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ), যা আগেই বুকিং সম্পন্ন করা হয়েছিল। অন্যান্য দেশের (যেমন ভারতের) খেলোয়াড়দের যেখানে রুম শেয়ার করতে হচ্ছে, সেখানে আগেভাগে বুকিং করায় বাংলাদেশ দল এই সংকট থেকে মুক্ত।

গেমসের অন্য কিছু ইভেন্টের অ্যাথলেটদের জন্য নাগোয়া পোর্টের গার্ডেন হোয়ার্ফ এলাকায় শিপিং কনটেইনার দিয়ে তৈরি অস্থায়ী কিছু আধুনিক মডুলার কাঠের ভিলা বা কেবিনে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির সময় এই জোনের কাছাকাছি থাকা কিছু অ্যাথলেটকে নিরাপত্তার জন্য কয়েক ঘণ্টার জন্য স্থানান্তরিত করা হলেও পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) ও তাদের বিশেষ ট্রেনিং মনিটরিং কমিটি জাপানে পৌঁছানো খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য, অ্যান্টি-ডোপিং প্রটোকল এবং সার্বিক নিরাপত্তা সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করছে।



















