বাঁধনে উত্তাল ইতালি, চলছে ঘটনার তদন্ত
- আপডেট সময় : ০১:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালিতে গিয়ে বাংলাদেশি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন হামলা ও হেনস্তার শিকার হন। সে খবর বেশ গুরুত্বের সঙ্গে ছাপিয়েছে ইতালির গণমাধ্যম। যার প্রেক্ষিতে ইতালির আইন-শৃঙ্খলা তদন্তে নেমেছে। মেস্ত্রে শহরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা কেন ঘটেছ, কি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে এ নিয়ে ইতালির বিশেষ পুলিশ বাহিনী দিগোস‘ তদন্তে নেমেছে।
তাতে প্রবাসী ইতালির কপালে নেমে আসতে পারে নানা শাস্তির খড়গ। কড়াকড়ি নেমে আসতে পারে ইতালিতে প্রবাসী বাঙালীদের উপর নিয়ম-কানুনে কড়াকড়ি।
রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দেন বাঁধন। ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও বাঁধনের বক্তব্য অনুযায়ী, মেস্ত্রের একটি হোটেলে অবস্থানকালে প্রথম দফায় কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক তাকে হেনস্তা করেন। পরে ভাই ও ছোট ভাতিজাকে নিয়ে কাছের একটি পার্কে গেলে আবারও তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বাঁধনের সমর্থনের কারণে তাকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ ও হেনস্তা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী।
বাঁধনের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় তার দিকে পানি ও বিভিন্ন জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারা হয়। এমনকি তার ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়। সঙ্গে থাকা শিশুটির সামনেই তাকে কুরুচিপূর্ণ ও যৌন হয়রানিমূলক মন্তব্য করা হয়। একপর্যায়ে শারীরিকভাবেও তাকে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বাঁধন। ইতালীয় গণমাধ্যমকে বাঁধন বলেন, তার মনে হচ্ছিল হামলাকারীরা তাকে মেরেই ফেলবে। বাঁধন জানিয়েছেন, তিনি ইতালির স্থানীয় আইন অনুযায়ী এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেবেন এবং কোনো ধরনের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবেন না।
ইতালির প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘ইল গাজ্জেত্তিনো’, ‘করিয়ারে দেল্লা সেরা’, ‘সেকোলো দি ইতালিয়া’ ও ‘ইল ম্যানিফেস্টো’ ঘটনাটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এছাড়া বার্তা সংস্থা আনসা এবং দৈনিক ‘লা রিপাবলিকা’ও খবরটি প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পরীক্ষা করছে। এসব ফুটেজের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এছাড়াও ইতালির রাজনৈতিক ও বিশেষ অপরাধ তদন্ত সংস্থা ‘দিগোস’ তদন্ত করছেচ।























