নিয়ন্ত্রনে রেখেই মিরপুর টেস্টের চতুর্থদিন পার করলো বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
- / ৪৫ বার পড়া হয়েছে
মিরপুরের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে রানের দৌড়ে দু’দলই সমানে সমান। যদিও ঘরের মাঠে চতুর্থদিনে ২৭ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে দিন শেষে ১৭৯ রানে। বৃষ্টি বাধা এই টেস্টের পঞ্চম দিনের ম্যাচে ফলাফল কোথায় গিয়ে সমাপ্তির ইতি টানতে পারে সেটা অনেকটাই পরিস্কার। অর্থাৎ ধরেই নেয়া যেতে পারে মিরপুর টেস্টের ফয়সালা নিষ্ফলা ড্র দিয়ে শেষ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদিও সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের মতে এখান থেকেও মিরপুর টেস্টও জেতা সম্ভব। তবে পাকিস্তানের সামনে দাড় করাতে হবে প্রায় তিনশত রানের টার্গেট। সে হিসেবে বাংলাদেশকে আরো ৯৫ রান করতে হবে। উইকেটে আছেন ৫৮ রানে শান্ত এবং মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে।
তার আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের জবাবে ৩৮৬ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। আজ সোমবার ম্যাচের চতুর্থ দিনে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে মুমিনুল তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পাঁচহাজার রানে প্রবেশ করেন। মুমিনুল ৫৬ রানে আউট হন। দারুণ ফর্মে থাকা এই ক্রিকেটার হাঁকালেন টানা ৫টি ফিফটিও। আর শান্ত হাঁকালে ষষ্ঠ টেস্ট ফিফটি।
চতুর্থদিন শেষে বাংলাদেশের অবস্থান স্বস্তিদায়ক হলেও দ্বিতীয় ইনিংসের সূচনাটায় ছিলো বিপর্যয়। মাত্র দলীয় ২৩ রানে মাহামুদুল হাসান জয় এবং সাদ্দাম হোসেনকে হারিয়ে একটা ভালো্ই ঝাকুনি পড়ে টাইগার বাংলাদেশের উপর। সেই বিপর্যয় শক্তহাতেই সামাল দিয়েছেন মুমিনুল হক। নির্ভরযোগ্য ব্যাটারের ভূমিকা পালন করে চাপের মুখে থেকে তিনি প্রতিপক্ষের বোলারদের সামাল দিয়ে ইনিংস মেরামত করেন বাংলাদেশের। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান টেস্টের দুই ইনিংসেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও পেয়েছেন অর্ধশতকের দেখা। সবমিলিয়ে টানা ৫ ইনিংসে অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম অর্ধশতক। আর ফিফটি করেই তিনি স্পর্শ করেছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫ হাজার রানের মাইলফলক।
তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। তার আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তার নামের পাশে রয়েছে ৭০ ম্যাচে ১৩৪ ইনিংসে ৩৮ গড়ে ৫৩১৪ রান, অর্ধশতক ৩১টি ও শতক ১০টি।
সবার ওপরে অবস্থান করেছেন মুশফিকুর রহিম। ১০১ টেস্টে ১৮৫ ইনিংসে ৩৮ গড়ে ৬৫৮১ রান করেছেন তিনি। ৩০ অর্ধশতক ও ১৩টি অর্ধশতক তার নামের পাশে। ডাবল সেঞ্চুরি ৩টি। উইকেটকিপারদের মধ্যে যা কিনা সর্বোচ্চ বিশ্ব ক্রিকেটে।
মুমিনুল ফিফটি করলেও দলীয় ১২৮ রানের মাথায় আউট হয়ে যান শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ততক্ষণে তার নামের পাশে লেখা হয়েছে ৫৬ রান, ১২০ বলে। এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫ রানে মাহমুদুল হাসান জয় এবং ১০ রানে আউট হন সাদমান ইসলাম।



















