গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া শিপ রিসাইক্লিং ব্যবসা করা যাবে না: শিল্পমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৪:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
- / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক গ্রিন লাইসেন্স ছাড়া ভবিষ্যতে দেশে কেউ শিপ রিসাইক্লিং (জাহাজ পুনর্ব্যবহার) ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না৷ সরকারের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় কারিগরি ও নীতিগত সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।
সোমবার (৬ জুলাই) সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একসময় বিশ্বে জাহাজ রিসাইক্লিং শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে ছিল। বর্তমানে সেই অবস্থান সাময়িকভাবে কিছুটা পিছিয়ে গেলেও সরকার আবার বিশ্বে এক নম্বর স্থান পুনরুদ্ধারে কাজ করছে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ৩১টি শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড গ্রিন লাইসেন্স অর্জন করেছে। এসব ইয়ার্ড আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে পরিবেশবান্ধব উপায়ে কাজ করছে। যারা এখনো লাইসেন্স পায়নি, তাদেরও একই মানদণ্ডে আসতে হবে এবং সরকার তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, অতীতে শিপ ব্রেকিং শিল্প নিয়ে পরিবেশদূষণ, শ্রমিক শোষণ ও অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশের নানা অভিযোগ ছিল। তবে বর্তমান গ্রিন ইয়ার্ডগুলোতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়।
শিল্পের চাঁদাবাজি, ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যায় পড়লে সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।
দেশের শিল্প খাতে চলমান জ্বালানি সংকট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান গ্যাস সংকটটি দীর্ঘদিনের। দেশে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে এই সংকট পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। সরকার জরুরি কর্মসূচির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ ও সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। শিল্পাঞ্চলগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ইতোমধ্যে একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ শিল্প খাতের বিভিন্ন নীতিগত সমস্যা সমাধানেও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
















