বন্যা আশঙ্কায় বান্দরবন-কক্সবাজারসহ দেশের ৫ জেলা
- আপডেট সময় : ০৯:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
- / ৪২ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবন-কক্সবাজারসহ দেশের ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সংস্থাটি জানিয়েছে, এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) সরদার উদয় রায়হান এক বিশেষ বার্তায় এসব তথ্য জানান।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৫ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত অথবা সন্নিহিত সময়ে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের মেঘালয়, আসাম, বরাক অববাহিকা, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের পার্বত্য ও উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের তুলনায় ১০০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৫০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
এতে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত একটি মৌসুমি নিম্নচাপ দেশের পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়াতে পারে।
বিশেষ বার্তায় বলা হয়েছে, ৫ থেকে ১০ জুলাই গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
এদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানিও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৮ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কয়েকটি নদীর পানি কিছু স্থানে সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়াও রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। আগামী দুই দিন এসব নদীর পানি কমতে পারে, তবে ৮ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে আবারও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
















