ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর তদারকিতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক তদারকি ও জবাবদিহি ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছিল। জাতিসংঘের সুপারিশগুলোতেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত চালাতে পারে।

জাতিসংঘের সনদভিত্তিক সংস্থাগুলোর (ট্রিটি বডি) সুপারিশে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সরাসরি তদন্ত করার এখতিয়ার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের

আপডেট সময় : ১২:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর তদারকিতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক তদারকি ও জবাবদিহি ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছিল। জাতিসংঘের সুপারিশগুলোতেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত চালাতে পারে।

জাতিসংঘের সনদভিত্তিক সংস্থাগুলোর (ট্রিটি বডি) সুপারিশে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সরাসরি তদন্ত করার এখতিয়ার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।