দিল্লিতে বহুতল ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া বেশিরভাগই শিক্ষার্থী
- আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৪৮ বার পড়া হয়েছে
ভারতের রাজধানী দিল্লির দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সত্য নিকেতন (Satya Niketan) এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবন আকস্মিক ধসে পড়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (সাউথ ক্যাম্পাস)-এর নিকটবর্তী এই এলাকাটি শিক্ষার্থী এবং তরুণদের পেয়িং গেস্ট (PG) ও হস্টেলের জন্য পরিচিত। রবিবারে ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও নিবাসী ভবনের ভেতরেই ছিলেন, যার ফলে বড় ধরনের হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভারতের রাজধানী দিল্লির সত্য নিকেতনে একটি বহুতল ভবন ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন ভেতরে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত অন্তত চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খবর এনডিটিভির।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনটি পেয়িং গেস্ট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা দেড়টা নাগাদ এটি ধসে পড়ে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় ভেতরে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোববার ছুটির দিন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই নিজ নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী বার্তা সংস্থা এএনআই-কে জানান, তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ আকুতি ও কান্নার শব্দ শুনতে পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সচিত্র প্রতিবেদনে দেখা যায়, দুর্ঘটনাস্থলে ভিড় জমিয়েছে উৎসুক জনতা। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের সন্ধান করছেন।
অনলাইনে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে চাপা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় তাকে উদ্ধারে অনেকেই প্রাণপণে স্ল্যাবটি তোলার চেষ্টা করছিলেন।
উদ্ধার কাজে সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ১২টি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। বড় বড় স্ল্যাব ও লোহার বিম সরানোর জন্য আনা হয়েছে এক্সকাভেটর। দমকল কর্মীদের পাশাপাশি উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের বিশেষ দলও।
উল্লেখ্য, এলাকাটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রচুর শিক্ষার্থীর বসবাস। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠনও ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজে হাত বাড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভবনটির বেসমেন্টে বা নিচতলায় অবৈধভাবে বা অপরিকল্পিতভাবে সংস্কার ও খননকাজ চলছিল। এর ফলে নিচতলার পিলারে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে হঠাৎ ভবনটি হুড়মুড় করে ধসে পড়ে।






















