ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দেওয়া বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পবর্জ্য এবং দখল-দূষণে দেশের নদীগুলো আজ সংকটাপন্ন। এই প্রেক্ষাপটে, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের নদী রক্ষায় সরকারি পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বিশেষ করে ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার বিকল্প কিছু নেই।  রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সরকারপ্রধান এই নির্দেশনা দেন।

এদিন সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেয়ার মতো বিষয়গুলোয় মানুষকে আরও সচেতন করার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ ছাড়াও সভায় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তাদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে যুক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে।

সভায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা ও রোগী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সেই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য মশারি সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়, যাতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।

এদিন সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঠে এর প্রতিফলন থাকতে হবে।’ সেই সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিরোধকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে ব্যাপকভাবে সচেতনতামূলক উদ্যোগ নেয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।

সভায় অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দেওয়া বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পবর্জ্য এবং দখল-দূষণে দেশের নদীগুলো আজ সংকটাপন্ন। এই প্রেক্ষাপটে, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের নদী রক্ষায় সরকারি পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বিশেষ করে ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার বিকল্প কিছু নেই।  রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সরকারপ্রধান এই নির্দেশনা দেন।

এদিন সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেয়ার মতো বিষয়গুলোয় মানুষকে আরও সচেতন করার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ ছাড়াও সভায় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তাদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে যুক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে।

সভায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা ও রোগী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সেই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য মশারি সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়, যাতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।

এদিন সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঠে এর প্রতিফলন থাকতে হবে।’ সেই সঙ্গে ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিরোধকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে ব্যাপকভাবে সচেতনতামূলক উদ্যোগ নেয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।

সভায় অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।