ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে পেসারদের বিপ্লব

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের টেন্ট ক্রিকেট এক সময় স্পিন নির্ভর ছিলো৷ সাকিব আল হাসান পর্যন্ত স্পিনারদের দাপট ছিলো স্পষ্ট৷ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীদের তালিকায় তাদের নাম সবার উপরে৷ ঘরের মাঠে সিরিজ খেলার আগে তাই উইকেটগুলোও স্পিনারদের অনুকুলে তৈরি করা হতো৷

উইকেটগুলো সে ভাবে তৈরি করা হত৷ যার ফলে বাংলাদেশের ব্যাটারদের পেস অ্যাটাক মোকাবেলা করা ছিল দূরহ ব্যাপার৷

২০২১ সালের শুরু পর্যন্ত দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়া চার বোলার ছিলেন সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ রফিক ও মেহেদী হাসান মিরাজ। চারজনই স্পিনার, তাঁদের মধ্যে তিনজন বাঁহাতি।

উইকেট শিকারে পঞ্চম বোলার ছিলেন একজন পেসার, মাশরাফি বিন মোর্তুজা৷

কিন্তু ২০০৯ সালে শেষ টেস্ট খেলা মাশরাফীর উইকেট সংখ্যা ৭৮। বিপরীতে তাইজুলের ২৭৬, সাকিবের ২৪৬, মিরাজের ২২৪ ও রফিকের ১০০। অর্থাৎ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পথচলার প্রথম ২৬ বছরে কোনো পেসার ১০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁতে পারেননি।

অবশ্য সে চিত্র এখন বদলে যাচ্ছে। মোস্তাফিজ, তাসকিন, নাভিদ রানা, এবাদত, শরিফুলরা দখল করে নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাক৷

মূলত বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের উত্থানও হয়েছে ২০২১ সালের শেষ দিকে, সেটি এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু পারফরম্যান্স নয়।

নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে সাফল্য, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয় এবং সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্ট জয় দেখিয়েছে, বাংলাদেশের পেসাররা এখন শুধু সহায়ক শক্তি নন, ম্যাচ জেতানোর প্রধান অস্ত্র হিসেবেও ভূমিকা পালন করছেন৷ সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া নফরে বাংলাদেশের পেসাররা ম্যাচ জেতার পথ দেখিয়েছিলেন৷ বিশ্ব ক্রিকেটের নজর কেড়েছেন তাসকিন,এবাদত ও শরিফুল৷

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে পেসারদের বিপ্লব

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের টেন্ট ক্রিকেট এক সময় স্পিন নির্ভর ছিলো৷ সাকিব আল হাসান পর্যন্ত স্পিনারদের দাপট ছিলো স্পষ্ট৷ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীদের তালিকায় তাদের নাম সবার উপরে৷ ঘরের মাঠে সিরিজ খেলার আগে তাই উইকেটগুলোও স্পিনারদের অনুকুলে তৈরি করা হতো৷

উইকেটগুলো সে ভাবে তৈরি করা হত৷ যার ফলে বাংলাদেশের ব্যাটারদের পেস অ্যাটাক মোকাবেলা করা ছিল দূরহ ব্যাপার৷

২০২১ সালের শুরু পর্যন্ত দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়া চার বোলার ছিলেন সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ রফিক ও মেহেদী হাসান মিরাজ। চারজনই স্পিনার, তাঁদের মধ্যে তিনজন বাঁহাতি।

উইকেট শিকারে পঞ্চম বোলার ছিলেন একজন পেসার, মাশরাফি বিন মোর্তুজা৷

কিন্তু ২০০৯ সালে শেষ টেস্ট খেলা মাশরাফীর উইকেট সংখ্যা ৭৮। বিপরীতে তাইজুলের ২৭৬, সাকিবের ২৪৬, মিরাজের ২২৪ ও রফিকের ১০০। অর্থাৎ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পথচলার প্রথম ২৬ বছরে কোনো পেসার ১০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁতে পারেননি।

অবশ্য সে চিত্র এখন বদলে যাচ্ছে। মোস্তাফিজ, তাসকিন, নাভিদ রানা, এবাদত, শরিফুলরা দখল করে নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাক৷

মূলত বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের উত্থানও হয়েছে ২০২১ সালের শেষ দিকে, সেটি এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু পারফরম্যান্স নয়।

নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে সাফল্য, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয় এবং সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্ট জয় দেখিয়েছে, বাংলাদেশের পেসাররা এখন শুধু সহায়ক শক্তি নন, ম্যাচ জেতানোর প্রধান অস্ত্র হিসেবেও ভূমিকা পালন করছেন৷ সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া নফরে বাংলাদেশের পেসাররা ম্যাচ জেতার পথ দেখিয়েছিলেন৷ বিশ্ব ক্রিকেটের নজর কেড়েছেন তাসকিন,এবাদত ও শরিফুল৷