ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সরকার মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাসী : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, বর্তমান সরকার মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাস করে। তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ভোগের পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নতুন তথ্যমন্ত্রী। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে মন্ত্রী এনটিভিকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন এনটিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট জাহিদুর রহমান।
নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে আন্দালিভ রহমান পার্থ জানান, অফিস শুরুর পর গণমাধ্যমবান্ধব পরিবেশে মন্ত্রণালয়ের কাজের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে কাজ শুরু করবেন। নতুন পদ প্রাপ্তিতে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভালো জানেন কখন কাকে কোথায় দায়িত্ব দিতে হবে। যেহেতু অনেক দিন ধরে রাজনীতির পাশাপাশি মিডিয়ার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তাই আশা করি সবার সহযোগিতায় ভালো কিছু করতে পারব।’
টেলিভিশন টক শো ও বিশ্লেষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন হয়তো আগের মতো ঘন ঘন কথা বলার সুযোগ হবে না, তবে মিডিয়ার সঙ্গেই থাকব এবং ভিন্ন আঙ্গিকে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে কথা বলব।’
সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পার্থ বলেন, ‘জনতাই ক্ষমতার উৎস—এই সত্য আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে। রাজনীতিবিদদের আসল সফলতা তখনই আসে, যখন তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় থেকেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে তৎকালীন সরকারের ভয়ভীতির মধ্যেও গণমাধ্যম জনগণের কথা বলার চেষ্টা করেছে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো অহেতুক নিয়ন্ত্রণ বা হস্তক্ষেপের মানসিকতা নেই। আমরা মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী। তবে মুক্ত মানে ‘কেয়ারলেস’ বা দায়িত্বজ্ঞানহীন হওয়া যাবে না। গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, তাই দেশের স্বার্থ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সরকার মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাসী : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, বর্তমান সরকার মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাস করে। তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ভোগের পাশাপাশি সংবাদকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নতুন তথ্যমন্ত্রী। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে মন্ত্রী এনটিভিকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন এনটিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট জাহিদুর রহমান।
নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে আন্দালিভ রহমান পার্থ জানান, অফিস শুরুর পর গণমাধ্যমবান্ধব পরিবেশে মন্ত্রণালয়ের কাজের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে কাজ শুরু করবেন। নতুন পদ প্রাপ্তিতে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভালো জানেন কখন কাকে কোথায় দায়িত্ব দিতে হবে। যেহেতু অনেক দিন ধরে রাজনীতির পাশাপাশি মিডিয়ার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে, তাই আশা করি সবার সহযোগিতায় ভালো কিছু করতে পারব।’
টেলিভিশন টক শো ও বিশ্লেষকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন হয়তো আগের মতো ঘন ঘন কথা বলার সুযোগ হবে না, তবে মিডিয়ার সঙ্গেই থাকব এবং ভিন্ন আঙ্গিকে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে কথা বলব।’
সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পার্থ বলেন, ‘জনতাই ক্ষমতার উৎস—এই সত্য আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে। রাজনীতিবিদদের আসল সফলতা তখনই আসে, যখন তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় থেকেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে তৎকালীন সরকারের ভয়ভীতির মধ্যেও গণমাধ্যম জনগণের কথা বলার চেষ্টা করেছে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমের ওপর কোনো অহেতুক নিয়ন্ত্রণ বা হস্তক্ষেপের মানসিকতা নেই। আমরা মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী। তবে মুক্ত মানে ‘কেয়ারলেস’ বা দায়িত্বজ্ঞানহীন হওয়া যাবে না। গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, তাই দেশের স্বার্থ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে।’