আর্জেন্টিনাকে বড় শাস্তি দিলো ফিফা,১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ পারেদেস
- আপডেট সময় : ১০:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
- / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এ নানা ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন (এএফএ) ও সে দলের চার ফুটবলারকে বড় শাস্তি দিয়েছে ফিফা ডিসিপ্লিনারী কমিটি৷ শাস্তির কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান হচ্ছে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের পতাকা প্রদর্শন, সমর্থকদের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং ফাইনালের পর খেলোয়াড়দের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া৷
ফিফা জানিয়েছে, ঘটনাগুলো নিয়ে ‘কঠোর বিশ্লেষণ’ শেষে এএফএকে মোট ৩ লাখ ২১ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ব্যানার প্রদর্শনসহ খেলাধুলার বাইরে রাজনৈতিক বা অন্য ধরনের বার্তা প্রচার, দলের অনিয়মিত আচরণ, সমর্থকদের বৈষম্যমূলক ও বর্ণবাদী স্লোগান এবং ম্যাচের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের অভিযোগে এই শাস্তি দেয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি পরবর্তী দুটি হোম ম্যাচে দর্শকসংখ্যা সীমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে ফিফা। প্রথম ম্যাচটি হবে ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচের শাস্তি স্থগিত রাখা হয়েছে।
ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩ লাখ ২১ হাজার ডলারের জরিমানার মধ্যে ১ লাখ ডলার বৈষম্যবিরোধী কর্মসূচিতে ব্যয় করতে হবে। শাস্তির একটি অংশ—একটি ম্যাচ ও ১ লাখ ডলারের জরিমানা স্থগিত রাখা হয়েছে এবং এএফএকে পরীক্ষামূলক সময়ের মধ্যে রাখা হয়েছে।
ফাইনালের পর সংঘর্ষে কঠোর শাস্তি
স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সংঘর্ষের ঘটনাতেও বেশ কয়েকজন আর্জেন্টাইনকে শাস্তি দিয়েছে ফিফা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেয়া হয়েছে সবচেয়ে বড় শাস্তি; ১০ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও ৯০ হাজার ডলার জরিমানা। স্পেনের এরিক গার্সিয়াকে ধাক্কা ও ঘুষি মারা এবং উদযাপনের সময় গাভির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর ঘটনায় এই শাস্তি পেয়েছেন তিনি।
নাহুয়েল মোলিনা পেয়েছেন ৭ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও ৯০ হাজার ডলার জরিমানা। ফাইনালের পর রদ্রির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর ঘটনায় তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে।
এ ছাড়া থিয়াগো আলমাদা এক ম্যাচ নিষিদ্ধ ও ৩০ হাজার ডলার জরিমানা হয়েছেন। কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালা পেয়েছেন তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও ৩০ হাজার ডলার জরিমানা। আর স্পেনের পাবলো মার্তিন পায়েস গাভিরা (গাভি) এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা ও ৩০ হাজার ডলার জরিমানা পেয়েছেন।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এসব নিষেধাজ্ঞা সংশ্লিষ্ট জাতীয় দলের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে কার্যকর হবে।
ফিফা আরও জানিয়েছে, সিদ্ধান্তগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ জানতে সংশ্লিষ্টদের কাছে ১০ দিনের মধ্যে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোড অনুযায়ী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলও করা যাবে।



















