ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিপিএল হচ্ছে না, নতুন পরিকল্পনায় বিসিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি মৌসুমে বিপিএল মাঠে গড়াচ্ছে না৷ বিগত দুই বোর্ড সভাপতি লাভের অঙ্ক দেখালেও বর্তমান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি ( বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল আসনে বসেই শোনালেন উল্টা গল্প৷ গত দুই মৌসুমে নাকি ৪০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে৷ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল মিডিয়ার সামনে এ সত্যটি তুলে বিস্ময় প্রা্শ করেছেন৷

তাই লোকসান গুনে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন বিসিবি সভাপতি। তামিম বলেন, ‘সমস্যা হলো, কোনো দল টুর্নামেন্ট থেকে হুট করে সরে দাঁড়ালে বা নিয়ম না মানলে বিসিবিকে সেই দলের দায়িত্ব নিতে হয়। গত দুই বছরে বিসিবির প্রায় ৪০ কোটি টাকার মতো লোকসান হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট তো বিসিবির লাভ করার কথা, লোকসান কেন হবে? তাই এই সমস্যাগুলোর সমাধান না করা পর্যন্ত লোকসান গুনে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়া আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

তবে বিপিএল আয়োজনের ইচ্ছায় কোনো ঘাটতি নেই বলে জানান বিসিবি প্রধান। কিন্তু হুটহাট করে নয়, বরং পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে টুর্নামেন্টটি করতে চান বর্তমান বোর্ড সভাপতি।

তামিমের বলেন, ‘এটি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ইচ্ছা এক হাজার শতাংশ রয়েছে। তবে আমি কোনো তাড়াহুড়ো করতে চাই না। কাজটি সঠিকভাবে করতে যদি ৬ বা ১২ মাস সময়ও লাগে, আমি নেব। আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। যারা নিয়ম লঙ্ঘন করেছে বা খেলাপি হয়েছে, সেই বিষয়গুলো সমাধান করতে হবে।’

বিপিএল আয়োজনের ক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনিয়ম ও আর্থিক ক্ষতির দিকটি স্পষ্ট করে তামিম বলেন, ‘বিপিএল কেন সংকটে পড়ত? রংপুর ও রাজশাহী ছাড়া বাকি দলগুলোর বর্তমান অবস্থা কী? কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা ব্যাপকভাবে ভাঙা হয়েছে। যদিও রাজশাহী তাদের পেমেন্ট ক্লিয়ার করেছে, তবুও তাদের ক্ষেত্রেও যে শতভাগ কমপ্লায়েন্স বা নিয়ম মানা হয়েছে, তা কিন্তু নয়।’

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমি আগেই বেশ কয়েকবার ইঙ্গিত দিয়েছিলাম যে আমি জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল পরিচালনা করব না। তবে আমরা নতুন একটি ফর্মুলা নিয়ে কাজ করছি। যখন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে, তখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেব যে, আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারটি কীভাবে সাজাচ্ছি। এবারের পরিকল্পনাটি বেশ ভিন্নধর্মী ও রোমাঞ্চকর হতে চলেছে।’

এর আগেও মোট দু’বার বিপিএল মাঠে গড়ায়নি৷ ২০১৪ সালে ফিক্সিংজনিত কেলেঙ্কারির কারণে এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালে করোনা মহামারির কারণে বিপিএল আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। আর এবার টুর্নামেন্ট না হওয়ার পেছনে বড় কারণটি হচ্ছে আর্থিক ক্ষতি৷

তবে বিসিবি সভাপতি জানালেন তারা মিরপুরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির আয়োজন করেছে৷

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিপিএল হচ্ছে না, নতুন পরিকল্পনায় বিসিব

আপডেট সময় : ০৫:০২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

চলতি মৌসুমে বিপিএল মাঠে গড়াচ্ছে না৷ বিগত দুই বোর্ড সভাপতি লাভের অঙ্ক দেখালেও বর্তমান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি ( বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল আসনে বসেই শোনালেন উল্টা গল্প৷ গত দুই মৌসুমে নাকি ৪০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে৷ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল মিডিয়ার সামনে এ সত্যটি তুলে বিস্ময় প্রা্শ করেছেন৷

তাই লোকসান গুনে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে নন বিসিবি সভাপতি। তামিম বলেন, ‘সমস্যা হলো, কোনো দল টুর্নামেন্ট থেকে হুট করে সরে দাঁড়ালে বা নিয়ম না মানলে বিসিবিকে সেই দলের দায়িত্ব নিতে হয়। গত দুই বছরে বিসিবির প্রায় ৪০ কোটি টাকার মতো লোকসান হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট তো বিসিবির লাভ করার কথা, লোকসান কেন হবে? তাই এই সমস্যাগুলোর সমাধান না করা পর্যন্ত লোকসান গুনে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়া আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

তবে বিপিএল আয়োজনের ইচ্ছায় কোনো ঘাটতি নেই বলে জানান বিসিবি প্রধান। কিন্তু হুটহাট করে নয়, বরং পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিখুঁতভাবে টুর্নামেন্টটি করতে চান বর্তমান বোর্ড সভাপতি।

তামিমের বলেন, ‘এটি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের ইচ্ছা এক হাজার শতাংশ রয়েছে। তবে আমি কোনো তাড়াহুড়ো করতে চাই না। কাজটি সঠিকভাবে করতে যদি ৬ বা ১২ মাস সময়ও লাগে, আমি নেব। আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। যারা নিয়ম লঙ্ঘন করেছে বা খেলাপি হয়েছে, সেই বিষয়গুলো সমাধান করতে হবে।’

বিপিএল আয়োজনের ক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অনিয়ম ও আর্থিক ক্ষতির দিকটি স্পষ্ট করে তামিম বলেন, ‘বিপিএল কেন সংকটে পড়ত? রংপুর ও রাজশাহী ছাড়া বাকি দলগুলোর বর্তমান অবস্থা কী? কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা ব্যাপকভাবে ভাঙা হয়েছে। যদিও রাজশাহী তাদের পেমেন্ট ক্লিয়ার করেছে, তবুও তাদের ক্ষেত্রেও যে শতভাগ কমপ্লায়েন্স বা নিয়ম মানা হয়েছে, তা কিন্তু নয়।’

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমি আগেই বেশ কয়েকবার ইঙ্গিত দিয়েছিলাম যে আমি জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল পরিচালনা করব না। তবে আমরা নতুন একটি ফর্মুলা নিয়ে কাজ করছি। যখন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে, তখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেব যে, আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারটি কীভাবে সাজাচ্ছি। এবারের পরিকল্পনাটি বেশ ভিন্নধর্মী ও রোমাঞ্চকর হতে চলেছে।’

এর আগেও মোট দু’বার বিপিএল মাঠে গড়ায়নি৷ ২০১৪ সালে ফিক্সিংজনিত কেলেঙ্কারির কারণে এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালে করোনা মহামারির কারণে বিপিএল আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। আর এবার টুর্নামেন্ট না হওয়ার পেছনে বড় কারণটি হচ্ছে আর্থিক ক্ষতি৷

তবে বিসিবি সভাপতি জানালেন তারা মিরপুরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির আয়োজন করেছে৷