ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

করের আওতা বাড়িয়ে অর্থনীতি চাঙ্গা করার পথে ছুটছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংসদ অধিবেশনে বাজেট নিয়ে চলছে চুরচেরা বিশ্লেষণ। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত বাজেট হচ্ছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বিশাল এই অংকের যোগান নিয়ে সংসদ সদস্যদের মধ্যে চলছে নানা ধরনের নীতি বাচক ও ইতিবাচক বিশ্লেষণ। বিরোধী দল থেকে বরাবরই এই প্রস্তাবিত বাজেটে জনগনের আশা আকাঙ্খা অপূরণের দিকটাই দেখে আসছে। সরকার থেকেই যেখানে বলা হচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকারই রয়েছে ঘাটতি বাজেট। সেখানে প্রত্যাশা পূরণে এক অলিক স্বপ্নের মতোই দেখছেন তারা।

তবে সরকার থেকে বরাবরই আশান্বিত করা হচ্ছে। এই সাহসী বাজেট পূরণে সরকারের নির্ভতরা এনবিআরের উপর। কর থেকেই সরকার দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথ দেখছে।তার অর্থ এই নয় যে কর বাড়িয়ে, করের আওতা বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ দেখছেন সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করা। করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে নতুন করদাতাদের করের আওতায় এনে রাজস্ব আহরণের ভিত্তি শক্তিশালী করা হবে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,চলতি অর্থবছরে অর্থনীতিতে স্থবিরতা থাকলেও সরকারের চার মাসের বিভিন্ন উদ্যোগে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় গতি এসেছে।  এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও গতি আসবে এবং আগামী অর্থবছরে এনবিআরের জন্য নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা চ্যালেঞ্জিং হলেও তা অর্জন করা সম্ভব হবে।এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রথমবারের মতো চার লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের মাধ্যমে বিশেষ করে কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত এবং রপ্তানি ও প্রবাস আয়ে অগ্রগতি সাধন এবং দেশের মানুষের উৎপাদনশীল সক্ষমতার ওপর ভর করে আমরা অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে নেবো।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মহান জাতীয় সংসদসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বাজেট নিয়ে আলোচনা এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত মতামতের মূল ফোকাস ছিল মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আহরণ, বাজেট ঘাটতি অর্থায়ন, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং অর্থনীতির সামগ্রিক পুনরুদ্ধার বিষয়ে। এসব প্রশ্ন স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক। কারণ জনগণ জানতে চায়- বর্তমান চ্যালেঞ্জসমূহ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করে আমরা কীভাবে অর্থনীতিকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবো। এখন আমি এ লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার জন্য আমাদের গৃহীত কৌশলসমূহ তুলে ধরছি।

তিনি আরও বলেন, দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সরকারি বাজেট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই ঋণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজেট ঘাটতিকে সহনীয় পর্যায়ে রাখার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ব্যয় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্রমান্বয়ে পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। সে লক্ষ্যে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৭.২৭ শতাংশ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করেছি। অন্যদিকে, পরিচালন ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করেছি।

সরকার আগামী অর্থবছরগুলোতে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ আরও বৃদ্ধি করবে এবং পরিচালন ব্যয়ের অংশ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে প্রয়োজনে ও অপ্রয়োজনে ব্যাপকহারে ঋণ নেওয়ার মাধ্যমে দেশের ঋণধারণ সক্ষমতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। যার ফলে আমাদের ঋণধারণ সক্ষমতার ঝুঁকি নিম্ন থেকে মধ্যম মানে অবনমিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪ কোটি টাকায়, যা জিডিপির ৩৮.৬১ শতাংশ। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২১.৫১ শতাংশ। অন্যদিকে, বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৯ লাখ ৪৯ হাজার ১৮১ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৭.১০ শতাংশ।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেলেও এই ঋণ ও ঋণের সুদ আমাদের যথাসময়ে পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের মাধ্যমে ঋণধারণ সক্ষমতাকে পুনরায় নিম্নঝুঁকি পর্যায়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে আমরা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। আমরা ঋণনির্ভর অর্থনীতিকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করছি।

তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়ায় সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়ানোর মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে, রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং সরকারের বাজেট ঘাটতি অর্থায়নের চাহিদা কমবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

করের আওতা বাড়িয়ে অর্থনীতি চাঙ্গা করার পথে ছুটছে সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সংসদ অধিবেশনে বাজেট নিয়ে চলছে চুরচেরা বিশ্লেষণ। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত বাজেট হচ্ছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বিশাল এই অংকের যোগান নিয়ে সংসদ সদস্যদের মধ্যে চলছে নানা ধরনের নীতি বাচক ও ইতিবাচক বিশ্লেষণ। বিরোধী দল থেকে বরাবরই এই প্রস্তাবিত বাজেটে জনগনের আশা আকাঙ্খা অপূরণের দিকটাই দেখে আসছে। সরকার থেকেই যেখানে বলা হচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকারই রয়েছে ঘাটতি বাজেট। সেখানে প্রত্যাশা পূরণে এক অলিক স্বপ্নের মতোই দেখছেন তারা।

তবে সরকার থেকে বরাবরই আশান্বিত করা হচ্ছে। এই সাহসী বাজেট পূরণে সরকারের নির্ভতরা এনবিআরের উপর। কর থেকেই সরকার দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথ দেখছে।তার অর্থ এই নয় যে কর বাড়িয়ে, করের আওতা বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ দেখছেন সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করা। করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে নতুন করদাতাদের করের আওতায় এনে রাজস্ব আহরণের ভিত্তি শক্তিশালী করা হবে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,চলতি অর্থবছরে অর্থনীতিতে স্থবিরতা থাকলেও সরকারের চার মাসের বিভিন্ন উদ্যোগে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় গতি এসেছে।  এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও গতি আসবে এবং আগামী অর্থবছরে এনবিআরের জন্য নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা চ্যালেঞ্জিং হলেও তা অর্জন করা সম্ভব হবে।এরই মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রথমবারের মতো চার লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের মাধ্যমে বিশেষ করে কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত এবং রপ্তানি ও প্রবাস আয়ে অগ্রগতি সাধন এবং দেশের মানুষের উৎপাদনশীল সক্ষমতার ওপর ভর করে আমরা অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে নেবো।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মহান জাতীয় সংসদসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বাজেট নিয়ে আলোচনা এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত মতামতের মূল ফোকাস ছিল মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আহরণ, বাজেট ঘাটতি অর্থায়ন, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং অর্থনীতির সামগ্রিক পুনরুদ্ধার বিষয়ে। এসব প্রশ্ন স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক। কারণ জনগণ জানতে চায়- বর্তমান চ্যালেঞ্জসমূহ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করে আমরা কীভাবে অর্থনীতিকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবো। এখন আমি এ লক্ষ্যে উপনীত হওয়ার জন্য আমাদের গৃহীত কৌশলসমূহ তুলে ধরছি।

তিনি আরও বলেন, দেশে বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনগণের কাছে একটি অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সরকার এ বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে আমরা কেবল একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য একটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার সরকারি বাজেট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই ঋণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজেট ঘাটতিকে সহনীয় পর্যায়ে রাখার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ব্যয় প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্রমান্বয়ে পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। সে লক্ষ্যে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৭.২৭ শতাংশ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করেছি। অন্যদিকে, পরিচালন ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করেছি।

সরকার আগামী অর্থবছরগুলোতে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ আরও বৃদ্ধি করবে এবং পরিচালন ব্যয়ের অংশ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে প্রয়োজনে ও অপ্রয়োজনে ব্যাপকহারে ঋণ নেওয়ার মাধ্যমে দেশের ঋণধারণ সক্ষমতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। যার ফলে আমাদের ঋণধারণ সক্ষমতার ঝুঁকি নিম্ন থেকে মধ্যম মানে অবনমিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪ কোটি টাকায়, যা জিডিপির ৩৮.৬১ শতাংশ। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২১.৫১ শতাংশ। অন্যদিকে, বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৯ লাখ ৪৯ হাজার ১৮১ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৭.১০ শতাংশ।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেলেও এই ঋণ ও ঋণের সুদ আমাদের যথাসময়ে পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের মাধ্যমে ঋণধারণ সক্ষমতাকে পুনরায় নিম্নঝুঁকি পর্যায়ে নিয়ে আসার লক্ষ্যে আমরা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। আমরা ঋণনির্ভর অর্থনীতিকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করছি।

তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়ায় সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়ানোর মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে, রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং সরকারের বাজেট ঘাটতি অর্থায়নের চাহিদা কমবে।