ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ড.ইউনুসের ৬৬৬ কোটির করের রায় আপাতত স্থগিত করেননি চেম্বার আদালত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে— হাইকোর্টের এমন রায় আপাতত স্থগিত করেননি চেম্বার আদালত। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।

এর আগে একই দিন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে— হাইকোর্টের এমন রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়। পরে ড. ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। চেম্বার আদালতে সোমবারই এর শুনানি হতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। ওইদিন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় দেন। রায়ে আদালত বলেন, আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেয়ার রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করেন। সেই সঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়।

পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭— এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে ড. ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালে পৃথক দু’টি রিট করে। এরপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল দেন। তবে গত বৃহস্পতিবার রুল খারিজ করেন হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চ। পাশাপাশি রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ড.ইউনুসের ৬৬৬ কোটির করের রায় আপাতত স্থগিত করেননি চেম্বার আদালত

আপডেট সময় : ০৭:১৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে— হাইকোর্টের এমন রায় আপাতত স্থগিত করেননি চেম্বার আদালত। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গ্রামীণ কল্যাণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন।

এর আগে একই দিন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে— হাইকোর্টের এমন রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়। পরে ড. ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। চেম্বার আদালতে সোমবারই এর শুনানি হতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। ওইদিন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় দেন। রায়ে আদালত বলেন, আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেয়ার রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করেন। সেই সঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়।

পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭— এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে ড. ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালে পৃথক দু’টি রিট করে। এরপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল দেন। তবে গত বৃহস্পতিবার রুল খারিজ করেন হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চ। পাশাপাশি রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর।