ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

হিমবাহ ধসের পরও কাটেনি বিপর্যয়, ধ্বংসস্তূপে নেপাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৭১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি হিমবাহ ধস মুহূর্তেই বদলে দিয়েছে নেপালের সীমান্তবর্তী জনপদের চিত্র; তিন দিন পরও সেখানে চলছে বেঁচে থাকা মানুষ ও নিখোঁজদের সন্ধান।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের রাশুয়া এলাকায় হিমবাহের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এর ফলে বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের ভয়াবহ স্রোত নেমে আসে নদীতে। রয়টার্স জানায়, এই স্রোতে ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত শুধু নেপালেই মৃতের সংখ্যা ৫৭৯-এ পৌঁছেছে।

আজ, ২৯ আগস্ট, উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে ৬৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালে ৩,৭০০-এর বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ধ্বংস হয়েছে সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র; দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। পুনর্গঠনে নেপালের ৪–৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হিমবাহ ধসের পরও কাটেনি বিপর্যয়, ধ্বংসস্তূপে নেপাল

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

একটি হিমবাহ ধস মুহূর্তেই বদলে দিয়েছে নেপালের সীমান্তবর্তী জনপদের চিত্র; তিন দিন পরও সেখানে চলছে বেঁচে থাকা মানুষ ও নিখোঁজদের সন্ধান।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের রাশুয়া এলাকায় হিমবাহের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এর ফলে বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের ভয়াবহ স্রোত নেমে আসে নদীতে। রয়টার্স জানায়, এই স্রোতে ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত শুধু নেপালেই মৃতের সংখ্যা ৫৭৯-এ পৌঁছেছে।

আজ, ২৯ আগস্ট, উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে ৬৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালে ৩,৭০০-এর বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ধ্বংস হয়েছে সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র; দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। পুনর্গঠনে নেপালের ৪–৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।