ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ধানমন্ডি ও মহাখালীতে আগুন, সেফটি অনুমোদন থাকা সময়ের দাবি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোন কিছুতে আগুন ধরা মানেই অন্য রকম এক আতঙ্ক। আর সেটি যদি হয় এক ঘন্টার ব্যবধানে এবং ঢাকা শহরের, তখন আতঙ্কের রুপটা চলে যায় ভিন্নদিকে। নানা গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় শহর জুড়ে। আজ সকালের দিকে ঢাকার দুই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সকালের দিকে আগুন লাগে । আর তখন থেকেই শহরবাসির মধ্যে ভিন্ন এক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবার মুখে মুখে আগুন নিয়ে নানা আশঙ্কার কথা শোনা যায়।

তবে আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এক ঘন্টার ব্যবধানে ধানমন্ডি ও মহাখালীতে যে আগুন লেগেছিল সেখানে দুষ্কৃতকারীদের চক্রান্ত  না থাকার বিষয়টি অনেকটা পরিস্কার।

সকাল ১০টা ৫ মিনিটে আগুন লেগেছিল ধানমন্ডিতে। দুই ঘন্টার ব্যবধানে তা নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আনে ফায়ার সার্ভিস। কেন আগুন লেগেছে এ বিষয়টি জানতে গিয়ে জানা গেলো ধানমন্ডিতে একটি পাঁচ তালা ভবনের দো‘তালায় এপেক্সের একটি গোডাউন ছিল। সেখানেই আগুণ লাগে। এই তথ্য দেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি বলেন, পাঁচতলা ভবনের চতুর্থ তলায় এপেক্সের গোডাউনে আগুন লাগে। এতে কোনো হতাহত হয়নি। দুই ঘন্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, আগুন গুদামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ভেতরে আর কোনো আগুনের শিখা নেই, তবে ধোঁয়া রয়েছে। ধোঁয়া বের করে দেওয়ার পর পুরোপুরি নির্বাপণের কাজ শেষ করা হবে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জাহেল কামাল বলেন, “আগুনে গোডাউনে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে তা খুব বেশি নয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।”

তবে আবাসিক এলাকায় গোডাইন করার অনুমোদন নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। গুদামের ফায়ার লাইসেন্স ছিল কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “তারা কয়েক মাস আগে আবেদন করেছিল। কিন্তু ফায়ার সেফটির অনুমোদন না থাকায় তাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।”

বাংলাদেশে এভাবে অহরহ যেখানে সেখানে গোডাইন করে রাখা হচ্ছে। কেমিক্যাল থেকে শুরু করে নানাবিধ জিনিষপত্র রাখা হচ্ছে গোডাউনে। তাতে আগুন লেগে ভয়াবহ ক্ষতি সাধন হচ্ছে,প্রাণ যাচ্ছে অনেক। শীতের সময় এমন সংবাদ অহরহ খবরের কাগজগুলোতে উঠে আসছে। তাই সচেতনরা মনে করেন বিষয়টি এখন থেকেই সরকারকে মনিটরিং করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ধানমন্ডিতে আগুন লাগার ঠিক এক ঘন্টার ব্যবধানে মহাখালীতে আগুনে লাগে। সেটি আবার টোবাকেিএসকে শপিং মলের পিছনে থাকা পুরাতন বিল্ডিংয়ে আগুণ লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে কি কারণে সেখানে আগুণ লেগেছিল সে তথ্য জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ধানমন্ডি ও মহাখালীতে আগুন, সেফটি অনুমোদন থাকা সময়ের দাবি

আপডেট সময় : ১২:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোন কিছুতে আগুন ধরা মানেই অন্য রকম এক আতঙ্ক। আর সেটি যদি হয় এক ঘন্টার ব্যবধানে এবং ঢাকা শহরের, তখন আতঙ্কের রুপটা চলে যায় ভিন্নদিকে। নানা গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় শহর জুড়ে। আজ সকালের দিকে ঢাকার দুই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সকালের দিকে আগুন লাগে । আর তখন থেকেই শহরবাসির মধ্যে ভিন্ন এক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবার মুখে মুখে আগুন নিয়ে নানা আশঙ্কার কথা শোনা যায়।

তবে আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এক ঘন্টার ব্যবধানে ধানমন্ডি ও মহাখালীতে যে আগুন লেগেছিল সেখানে দুষ্কৃতকারীদের চক্রান্ত  না থাকার বিষয়টি অনেকটা পরিস্কার।

সকাল ১০টা ৫ মিনিটে আগুন লেগেছিল ধানমন্ডিতে। দুই ঘন্টার ব্যবধানে তা নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আনে ফায়ার সার্ভিস। কেন আগুন লেগেছে এ বিষয়টি জানতে গিয়ে জানা গেলো ধানমন্ডিতে একটি পাঁচ তালা ভবনের দো‘তালায় এপেক্সের একটি গোডাউন ছিল। সেখানেই আগুণ লাগে। এই তথ্য দেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি বলেন, পাঁচতলা ভবনের চতুর্থ তলায় এপেক্সের গোডাউনে আগুন লাগে। এতে কোনো হতাহত হয়নি। দুই ঘন্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বলেন, আগুন গুদামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ভেতরে আর কোনো আগুনের শিখা নেই, তবে ধোঁয়া রয়েছে। ধোঁয়া বের করে দেওয়ার পর পুরোপুরি নির্বাপণের কাজ শেষ করা হবে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জাহেল কামাল বলেন, “আগুনে গোডাউনে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে তা খুব বেশি নয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।”

তবে আবাসিক এলাকায় গোডাইন করার অনুমোদন নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। গুদামের ফায়ার লাইসেন্স ছিল কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “তারা কয়েক মাস আগে আবেদন করেছিল। কিন্তু ফায়ার সেফটির অনুমোদন না থাকায় তাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি।”

বাংলাদেশে এভাবে অহরহ যেখানে সেখানে গোডাইন করে রাখা হচ্ছে। কেমিক্যাল থেকে শুরু করে নানাবিধ জিনিষপত্র রাখা হচ্ছে গোডাউনে। তাতে আগুন লেগে ভয়াবহ ক্ষতি সাধন হচ্ছে,প্রাণ যাচ্ছে অনেক। শীতের সময় এমন সংবাদ অহরহ খবরের কাগজগুলোতে উঠে আসছে। তাই সচেতনরা মনে করেন বিষয়টি এখন থেকেই সরকারকে মনিটরিং করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ধানমন্ডিতে আগুন লাগার ঠিক এক ঘন্টার ব্যবধানে মহাখালীতে আগুনে লাগে। সেটি আবার টোবাকেিএসকে শপিং মলের পিছনে থাকা পুরাতন বিল্ডিংয়ে আগুণ লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে কি কারণে সেখানে আগুণ লেগেছিল সে তথ্য জানা যায়নি।