ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অন্তর্বর্তী সরকারের ইচ্ছা জুলাই চাটার সমর্থনে জাতীয় নির্বাচন হোক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষনার দাবি জানাচ্ছে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে দাড় করাতেই ত্রাহি দশা অন্তর্বর্তী সরকারের। দেশের প্রতিটি সেক্টর দূর্বল করে দিয়ে যায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। যার ফলে দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে আইন শৃঙ্খলা ধ্বংস্তস্তুপে পড়ে যায়। যে কারনে নানা দিক সংস্কারের বিষয়টি সামনে চলে আসে ইউনুস সরকারের সামনে। তাতে সব কিছু ঠিক করা যায়নি গত সাতমাসের শাসনে। বৃহস্পতিবার বিসিবি বাংলার সাথে ড.ইউনুসের যে আলাপ চারিতা হয়েছে তাতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশটাকে আপাতত একটা জায়গায় দাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার বার্তা  দিয়েছেন। পাপপশি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোকে একটা জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছে বলে বার্তা দিয়েছেন।

 অন্তর্বর্তী সরকারের একটা বড় লক্ষ্য হচ্ছে সংস্কারের। এটি নিয়ে অনেকগুলো কমিশনও গঠিত হয়। এখন আবার বলা হচ্ছে যে বছরের শেষে নির্বাচন হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে সংস্কার করা কতটা সম্ভব? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে ড.ইউনুস বলেন, সেটা আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমরা একেবারে প্রত্যেকটা সুপারিশ দেবো। সুপারিশের সঙ্গে কথা থাকবে যে, আপনার রাজনৈতিক দল এটা কি সমর্থন করে? এটাতে রাজী আছেন? রাজী থাকলে বলেন, রাজী না থাকলে বলেন। বা এই যে সুপারিশটা আছে সেটার মধ্যে যদি কোনো একটা সংশোধনী এনে রাজী হবেন, সেটা বলেন। এটা কি নির্বাচনের আগে সংশোধন করা ঠিক হবে নাকি নির্বাচনের পরে – সব প্রশ্নের এখানেই সমাবেশ আছে।

রাজনৈতিক দলকে শুধু বলতে হবে কোনটা? সবকিছু মিলালে আমরা এটা ঠিক করবো কোন সুপারিশে সবাই একমত হয়েছে। সেটা আলাদা করবো যে এটাতে সবাই একমত হয়েছে। এরকম যে সমস্ত সুপারিশে তারা একমত হয়েছে, সেগুলো আমরা আলাদা একটা কাগজে নিয়ে আসবো যে এইসব বিষয়ে সবাই একমত হয়েছে। তবে এটাকে আমরা বলবো একটা চার্টার – জুলাই চার্টার।

এবং সবাইকে আহ্বান জানাবো, আপনারা সবাই যেহেতু একমত হয়েছেন এটাতে সই করে দেন। জুলাই চার্টারের মতোই আমরা চলবো। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচনটা হবে। নির্বাচনের আগে যেটা বলেছেন সেটা নির্বাচনের আগে হবে, যেটা নির্বাচনের পরে বলেছেন সেটা নির্বাচনের পরে হবে। এটা আপনাদের বিষয়। কিন্তু আপনারা একমত হয়েছেন। সেই ঐকমত্যই আমরা গঠন করার চেষ্টা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অন্তর্বর্তী সরকারের ইচ্ছা জুলাই চাটার সমর্থনে জাতীয় নির্বাচন হোক

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষনার দাবি জানাচ্ছে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে দাড় করাতেই ত্রাহি দশা অন্তর্বর্তী সরকারের। দেশের প্রতিটি সেক্টর দূর্বল করে দিয়ে যায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। যার ফলে দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে আইন শৃঙ্খলা ধ্বংস্তস্তুপে পড়ে যায়। যে কারনে নানা দিক সংস্কারের বিষয়টি সামনে চলে আসে ইউনুস সরকারের সামনে। তাতে সব কিছু ঠিক করা যায়নি গত সাতমাসের শাসনে। বৃহস্পতিবার বিসিবি বাংলার সাথে ড.ইউনুসের যে আলাপ চারিতা হয়েছে তাতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশটাকে আপাতত একটা জায়গায় দাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার বার্তা  দিয়েছেন। পাপপশি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোকে একটা জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছে বলে বার্তা দিয়েছেন।

 অন্তর্বর্তী সরকারের একটা বড় লক্ষ্য হচ্ছে সংস্কারের। এটি নিয়ে অনেকগুলো কমিশনও গঠিত হয়। এখন আবার বলা হচ্ছে যে বছরের শেষে নির্বাচন হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে সংস্কার করা কতটা সম্ভব? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে ড.ইউনুস বলেন, সেটা আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমরা একেবারে প্রত্যেকটা সুপারিশ দেবো। সুপারিশের সঙ্গে কথা থাকবে যে, আপনার রাজনৈতিক দল এটা কি সমর্থন করে? এটাতে রাজী আছেন? রাজী থাকলে বলেন, রাজী না থাকলে বলেন। বা এই যে সুপারিশটা আছে সেটার মধ্যে যদি কোনো একটা সংশোধনী এনে রাজী হবেন, সেটা বলেন। এটা কি নির্বাচনের আগে সংশোধন করা ঠিক হবে নাকি নির্বাচনের পরে – সব প্রশ্নের এখানেই সমাবেশ আছে।

রাজনৈতিক দলকে শুধু বলতে হবে কোনটা? সবকিছু মিলালে আমরা এটা ঠিক করবো কোন সুপারিশে সবাই একমত হয়েছে। সেটা আলাদা করবো যে এটাতে সবাই একমত হয়েছে। এরকম যে সমস্ত সুপারিশে তারা একমত হয়েছে, সেগুলো আমরা আলাদা একটা কাগজে নিয়ে আসবো যে এইসব বিষয়ে সবাই একমত হয়েছে। তবে এটাকে আমরা বলবো একটা চার্টার – জুলাই চার্টার।

এবং সবাইকে আহ্বান জানাবো, আপনারা সবাই যেহেতু একমত হয়েছেন এটাতে সই করে দেন। জুলাই চার্টারের মতোই আমরা চলবো। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচনটা হবে। নির্বাচনের আগে যেটা বলেছেন সেটা নির্বাচনের আগে হবে, যেটা নির্বাচনের পরে বলেছেন সেটা নির্বাচনের পরে হবে। এটা আপনাদের বিষয়। কিন্তু আপনারা একমত হয়েছেন। সেই ঐকমত্যই আমরা গঠন করার চেষ্টা করছি।