ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

সংহতি ও জাপানি সংস্কৃতি উদযাপনের মধ্য দিয়ে নাগোয়াতে পর্দা ওঠলো এশিয়ান গেমসের

মো. বদরুল আলম চৌধুরী
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৭৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগে থেকেই আশঙ্কা করা হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দশর্ক অনুপস্থিতি নিয়ে। ন‍াগোয়া শহরের পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে গ্যালারি শুন্য বেশি কিছু আসন মনে করিয়ে দিলো সেই বাস্তবতা।  তবুও থেমে থাকেনি কোন কিছু। নানান জটিলতা, প্রস্তুতির বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে সংহতি ও জাপানী সংস্কৃতির উদযাপনের মধ্য দিয়ে নাগোয়াতে এশিয়ান গেমসের পর্দা ওঠলো। 

May be an image of one or more people and text that says 'Bangladesh Bangladesh'

৩০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাপানে ৩২ বছর পর এই অঞ্চলের বৃহত্তম ক্রীড়া আসরটির প্রত্যাবর্তন ঘটল।

এবারের আসরে এগার হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ ও ৬ হাজার কর্মকর্তা অংশ নিয়েছে। যদিও এখনো পর্যন্ত ক্রীড়াবিদদের সঠিক সংখ্যা মিডিয়ার সামনে উপস্থান করতে পারেনি বলে জাপানের পত্রিকাগুলোতে প্রকাশ করা হয়েছে। আজ ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে গেমসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়ে আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত এই গেমস চলবে; তবে ভলিবল, বাস্কেটবল ও ফুটবলের মতো কিছু খেলা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

গেমসের অধিকাংশ ইভেন্ট আইচি প্রিফেকচারে অনুষ্ঠিত হবে, তবে জাপানের রাজধানী টোকিওসহ আরও কিছু স্থানেও বেশ কিছু প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। গেমসকে ঘিরে শনিবার জনসাধারণের মধ্যে খুব বেশি আগ্রহ দেখা যায়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় গ্যালারির কিছু অংশ ফাঁকা ছিল এবং সামগ্রিক পরিবেশেও তেমন কোনো উদ্দীপনা দেখা মেলেনি।

তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা আগে, গেমসের সূচনা উপলক্ষে স্থানীয়রা এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপভোগ করেন। জাপান এয়ার সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সের অ্যারোবেটিক প্রদর্শনী দল ‘ব্লু ইম্পালস’ আকাশ চিরে নাগোয়া শহরের কেন্দ্রস্থলের ওপর বিশাল আকৃতির একটি হৃদপিণ্ডের (হার্ট) প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলে।

জাপানের সম্রাট নারুহিতো, সম্রাজ্ঞী মাসাকো এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি কারস্টি কোভেন্ট্রির মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে, হৃদপিণ্ড-আকৃতির কেন্দ্রীয় মঞ্চে জাপানি সঙ্গীতশিল্পী তারো হাকাসের বেহালা বাদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

তাঁর নিচে, ২৪০ জন স্থানীয় নৃত্যশিল্পী প্রাণবন্ত সঙ্গীতের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করেন এবং এক পর্যায়ে তাঁরা সবাই মিলে ‘Welcome’ (স্বাগতম) শব্দটি ফুটিয়ে তোলেন। এরপর গায়িকা কেইকো তোদা জাপানের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সম্রাট নারুহিতো কর্তৃক গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের ঘোষণার পর এই অঞ্চলকে তুলে ধরার দুটি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়—যার প্রথমটিতে আইচি-নাগোয়ার “ঐতিহ্যের স্পন্দন” (heartbeat of tradition) তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটিতে ছিল নাগোয়া দুর্গের বিশাল এক বেলুন, কাবুকি অভিনেতাদের পরিবেশনায় উড়ন্ত সিংহ-নৃত্য (লায়ন ড্যান্স) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর সাহায্যে তৈরি পর্দায় দৃশ্যমান এক গায়ক। আরেকটি পরিবেশনায় আইচি-নাগোয়ার উৎপাদন-কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়; এতে ব্যবসায়িক স্যুট পরিহিত নৃত্যশিল্পীদের পাশাপাশি মঞ্চে টয়োটার অত্যাধুনিক সব ‘মোবিলিটি ভেহিকেল’ বা চলাচলের বাহনও প্রদর্শিত হয়।

May be an image of dancing, trumpet and suit

একটি বিশেষ মুহূর্তে, গেমসে পাঁচবারের স্বর্ণপদক জয়ী মুরোফুশি শিগেনোবু এবং তাঁর ছেলে কোজি মুরোফুশি (২০০৪ সালের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন) যৌথভাবে গেমসের মশাল প্রজ্জ্বলন করেন।

গেমস প্রেসিডেন্ট হিদেয়াকি ওহমুরা বলেন, “ভাষা, সংস্কৃতি এবং জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে মানুষকে একত্রিত করার এক অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে খেলাধুলার।” তিনি আরো বলেন, “গেমসের স্লোগানটি এমন এক আশাকে ধারণ করে যে, যদিও বিশ্বে এখনও এমন অনেক অঞ্চল রয়েছে যেখানে সংঘাত ও বিভেদ বিদ্যমান, তবুও এই গেমসের মাধ্যমে মানুষ একে অপরকে বুঝতে ও সম্মান করতে শিখবে, বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে, ঐক্যবদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যতের পথে একসাথে এগিয়ে যাবে।”

May be an image of fire

বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত প্যারেড বা কুচকাওয়াজে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ সভাপতি মেজর অব. ইমরোজ আহমেদ। দেশের পতাকা বহন করেছেন দুই ক্রীড়াবিদ শ্যূটিংয়ের আব্দুল্লাহ হেল বাকী এবং কারাতের হুমায়রা আক্তার অন্তরা। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এবারই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব চেয়ে বড় বহর অংশগ্রহন করেছে। যদিও বিশাল এই বহরে একটিও স্বর্ণ পদক জেতার সম্ভাবনা নেই। সব মিলে তিন থেকে পাঁচটি তাম্র পদক জেতার প্রত্যাশা রয়েছে-ক্রিকেট,কাবাডি, আরচ্যারিতে। ২০২২ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দুইটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলো যথাক্রমে নারী ক্রিকেট ও আর্চারির রিকার্ভ মিশ্র দল বা দলীয় ইভেন্টে। এবার বাংলাদেশ ২২ টি ডিসিপ্লিনে প্রতিনিধিত্ব করছে ১৮৭ জন।  যদিও আয়োজকরা ১১ হাজারেরও বেশি ক্রীড়াবিদ ও ৬ হাজার কর্মকর্তার জন্য আবাসন ব্যবস্থা করতে গিয়ে  হিমশিম খেতে হয়েছে।

May be an image of fire and fireworks

অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া (ওসিএ) জানিয়েছে, ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের অংশগ্রহণে আয়োজিত মহাদেশের এই প্রধান ক্রীড়া ইভেন্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে ওসিএ-র প্রেসিডেন্ট শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল-থানি বলেন, “উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল বার্তা হলো এশিয়ার বিভিন্ন সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বিপরীতে এশিয়ার ঐক্য প্রদর্শন করা।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সংহতি ও জাপানি সংস্কৃতি উদযাপনের মধ্য দিয়ে নাগোয়াতে পর্দা ওঠলো এশিয়ান গেমসের

আপডেট সময় : ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগে থেকেই আশঙ্কা করা হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দশর্ক অনুপস্থিতি নিয়ে। ন‍াগোয়া শহরের পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে গ্যালারি শুন্য বেশি কিছু আসন মনে করিয়ে দিলো সেই বাস্তবতা।  তবুও থেমে থাকেনি কোন কিছু। নানান জটিলতা, প্রস্তুতির বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে সংহতি ও জাপানী সংস্কৃতির উদযাপনের মধ্য দিয়ে নাগোয়াতে এশিয়ান গেমসের পর্দা ওঠলো। 

May be an image of one or more people and text that says 'Bangladesh Bangladesh'

৩০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাপানে ৩২ বছর পর এই অঞ্চলের বৃহত্তম ক্রীড়া আসরটির প্রত্যাবর্তন ঘটল।

এবারের আসরে এগার হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ ও ৬ হাজার কর্মকর্তা অংশ নিয়েছে। যদিও এখনো পর্যন্ত ক্রীড়াবিদদের সঠিক সংখ্যা মিডিয়ার সামনে উপস্থান করতে পারেনি বলে জাপানের পত্রিকাগুলোতে প্রকাশ করা হয়েছে। আজ ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে গেমসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়ে আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত এই গেমস চলবে; তবে ভলিবল, বাস্কেটবল ও ফুটবলের মতো কিছু খেলা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

গেমসের অধিকাংশ ইভেন্ট আইচি প্রিফেকচারে অনুষ্ঠিত হবে, তবে জাপানের রাজধানী টোকিওসহ আরও কিছু স্থানেও বেশ কিছু প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। গেমসকে ঘিরে শনিবার জনসাধারণের মধ্যে খুব বেশি আগ্রহ দেখা যায়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় গ্যালারির কিছু অংশ ফাঁকা ছিল এবং সামগ্রিক পরিবেশেও তেমন কোনো উদ্দীপনা দেখা মেলেনি।

তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা আগে, গেমসের সূচনা উপলক্ষে স্থানীয়রা এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপভোগ করেন। জাপান এয়ার সেলফ-ডিফেন্স ফোর্সের অ্যারোবেটিক প্রদর্শনী দল ‘ব্লু ইম্পালস’ আকাশ চিরে নাগোয়া শহরের কেন্দ্রস্থলের ওপর বিশাল আকৃতির একটি হৃদপিণ্ডের (হার্ট) প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলে।

জাপানের সম্রাট নারুহিতো, সম্রাজ্ঞী মাসাকো এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি কারস্টি কোভেন্ট্রির মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে, হৃদপিণ্ড-আকৃতির কেন্দ্রীয় মঞ্চে জাপানি সঙ্গীতশিল্পী তারো হাকাসের বেহালা বাদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

তাঁর নিচে, ২৪০ জন স্থানীয় নৃত্যশিল্পী প্রাণবন্ত সঙ্গীতের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করেন এবং এক পর্যায়ে তাঁরা সবাই মিলে ‘Welcome’ (স্বাগতম) শব্দটি ফুটিয়ে তোলেন। এরপর গায়িকা কেইকো তোদা জাপানের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সম্রাট নারুহিতো কর্তৃক গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের ঘোষণার পর এই অঞ্চলকে তুলে ধরার দুটি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়—যার প্রথমটিতে আইচি-নাগোয়ার “ঐতিহ্যের স্পন্দন” (heartbeat of tradition) তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটিতে ছিল নাগোয়া দুর্গের বিশাল এক বেলুন, কাবুকি অভিনেতাদের পরিবেশনায় উড়ন্ত সিংহ-নৃত্য (লায়ন ড্যান্স) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর সাহায্যে তৈরি পর্দায় দৃশ্যমান এক গায়ক। আরেকটি পরিবেশনায় আইচি-নাগোয়ার উৎপাদন-কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়; এতে ব্যবসায়িক স্যুট পরিহিত নৃত্যশিল্পীদের পাশাপাশি মঞ্চে টয়োটার অত্যাধুনিক সব ‘মোবিলিটি ভেহিকেল’ বা চলাচলের বাহনও প্রদর্শিত হয়।

May be an image of dancing, trumpet and suit

একটি বিশেষ মুহূর্তে, গেমসে পাঁচবারের স্বর্ণপদক জয়ী মুরোফুশি শিগেনোবু এবং তাঁর ছেলে কোজি মুরোফুশি (২০০৪ সালের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন) যৌথভাবে গেমসের মশাল প্রজ্জ্বলন করেন।

গেমস প্রেসিডেন্ট হিদেয়াকি ওহমুরা বলেন, “ভাষা, সংস্কৃতি এবং জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে মানুষকে একত্রিত করার এক অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে খেলাধুলার।” তিনি আরো বলেন, “গেমসের স্লোগানটি এমন এক আশাকে ধারণ করে যে, যদিও বিশ্বে এখনও এমন অনেক অঞ্চল রয়েছে যেখানে সংঘাত ও বিভেদ বিদ্যমান, তবুও এই গেমসের মাধ্যমে মানুষ একে অপরকে বুঝতে ও সম্মান করতে শিখবে, বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে, ঐক্যবদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যতের পথে একসাথে এগিয়ে যাবে।”

May be an image of fire

বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত প্যারেড বা কুচকাওয়াজে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ সভাপতি মেজর অব. ইমরোজ আহমেদ। দেশের পতাকা বহন করেছেন দুই ক্রীড়াবিদ শ্যূটিংয়ের আব্দুল্লাহ হেল বাকী এবং কারাতের হুমায়রা আক্তার অন্তরা। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এবারই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব চেয়ে বড় বহর অংশগ্রহন করেছে। যদিও বিশাল এই বহরে একটিও স্বর্ণ পদক জেতার সম্ভাবনা নেই। সব মিলে তিন থেকে পাঁচটি তাম্র পদক জেতার প্রত্যাশা রয়েছে-ক্রিকেট,কাবাডি, আরচ্যারিতে। ২০২২ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দুইটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলো যথাক্রমে নারী ক্রিকেট ও আর্চারির রিকার্ভ মিশ্র দল বা দলীয় ইভেন্টে। এবার বাংলাদেশ ২২ টি ডিসিপ্লিনে প্রতিনিধিত্ব করছে ১৮৭ জন।  যদিও আয়োজকরা ১১ হাজারেরও বেশি ক্রীড়াবিদ ও ৬ হাজার কর্মকর্তার জন্য আবাসন ব্যবস্থা করতে গিয়ে  হিমশিম খেতে হয়েছে।

May be an image of fire and fireworks

অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া (ওসিএ) জানিয়েছে, ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের অংশগ্রহণে আয়োজিত মহাদেশের এই প্রধান ক্রীড়া ইভেন্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে ওসিএ-র প্রেসিডেন্ট শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল-থানি বলেন, “উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল বার্তা হলো এশিয়ার বিভিন্ন সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বিপরীতে এশিয়ার ঐক্য প্রদর্শন করা।”