ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

আজ থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আজ শনিবার (০১ আগস্ট) থেকে দেশের সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। একই সঙ্গে জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন দেয়া কিংবা ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়ন করা হবে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের সময় জিপিএস সংযুক্তির প্রমাণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ডিভাইস সচল থাকার তথ্য দেখাতে হবে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ দেয়া বা নবায়ন করা হবে।

শুধু ডিভাইস স্থাপন নয়, সেটি সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন এবং ফিটনেস সনদ নিতে আসার সময় জিপিএস সংযুক্ত অবস্থায় আনার জন্য পরিবহন মালিক ও প্রতিনিধিদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ।

বিআরটিএর চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আসার সময়ই জিপিএস লাগিয়ে আনতে হবে। ফিটনেসের জন্য আসার সময়ও ডিভাইস সংযুক্ত থাকতে হবে। এ জন্য বিআরটিএর ব্যবস্থায় জিপিএস লাগানো আছে কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে।

তবে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব গণপরিবহনে জিপিএস পুরোপুরি সচল করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িতে জিপিএস দেয়ার বিষয়ে এরই মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হয়েছে। তবে ০১ আগস্ট থেকে পুরোপুরি সক্রিয় করা সম্ভব হবে না। এজন্য আরও কিছুদিন সময় প্রয়োজন।

সড়কে নামলেই গণপরিবহনের নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা চোখে পড়ে। যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় বাসের বেপরোয়া রেষারেষি, একাধিক লেন দখল করে যাত্রী ওঠানামা এবং এর ফলে সৃষ্ট যানজট নিয়মিত চিত্র হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে গণপরিবহনে জিপিএস চালুর উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জিপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে বাসের অবস্থান, গতি ও চলাচলের রুট পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অনুমোদিত রুটের বাইরে চলাচল এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাড়ি থামানোর মতো বিষয়গুলো তদারকি করা সহজ হতে পারে।

দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও জিপিএসের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কোনো বাস কখন কোথায় ছিল, কী গতিতে চলছিল এবং কোন রুট অনুসরণ করছিল—এসব তথ্য সংরক্ষিত থাকলে দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো ঘটনার তদন্তে তা ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা ও যাত্রীবান্ধব মোবাইল অ্যাপ চালু করা হলে যাত্রীরা বাসের অবস্থান এবং সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় জানতে পারবেন। এতে অপেক্ষার সময় কমানোর পাশাপাশি গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

জিপিএস ব্যবস্থায় বাস মালিকরাও তাদের গাড়ির অবস্থান, রুট, গতি ও চলাচলের সময় পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে বহর ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং রুটের বাইরে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে। বাস চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দ্রুত অবস্থান শনাক্ত করতেও এ প্রযুক্তি সহায়ক হতে পারে।

পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধেও কোনো অভিযোগ উঠলে জিপিএসের তথ্যের মাধ্যমে তা যাচাই করা সহজ হতে পারে। দুর্ঘটনা, ডাকাতি, হামলা বা যান্ত্রিক ত্রুটির মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত সহায়তা নেয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রযুক্তি সংযোজন করলেই কাঙ্ক্ষিত সুফল আসবে না। ডিভাইস সার্বক্ষণিক সচল রাখা, কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত তদারকি এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সুফল আসবে না; এতে একটি ফাঁক থেকে যাবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কার করতে হবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারও করতে হবে।

এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনে জিপিএস ডিভাইস সংযোজন কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে বিশ্লেষকদের। তাদের মতে, জিপিএসের পাশাপাশি গণপরিবহনের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে তবেই এ উদ্যোগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব।

 

 

(মন্তব্য করুন  : খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে এবং আপত্তিজনক নয়। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ডেইলি ঢাকা মেট্রো ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।)

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আজ থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় : ১০:১৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আজ শনিবার (০১ আগস্ট) থেকে দেশের সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। একই সঙ্গে জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন দেয়া কিংবা ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়ন করা হবে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের সময় জিপিএস সংযুক্তির প্রমাণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ডিভাইস সচল থাকার তথ্য দেখাতে হবে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ দেয়া বা নবায়ন করা হবে।

শুধু ডিভাইস স্থাপন নয়, সেটি সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশনাও রয়েছে। নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন এবং ফিটনেস সনদ নিতে আসার সময় জিপিএস সংযুক্ত অবস্থায় আনার জন্য পরিবহন মালিক ও প্রতিনিধিদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ।

বিআরটিএর চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আসার সময়ই জিপিএস লাগিয়ে আনতে হবে। ফিটনেসের জন্য আসার সময়ও ডিভাইস সংযুক্ত থাকতে হবে। এ জন্য বিআরটিএর ব্যবস্থায় জিপিএস লাগানো আছে কি না, তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে।

তবে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব গণপরিবহনে জিপিএস পুরোপুরি সচল করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িতে জিপিএস দেয়ার বিষয়ে এরই মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি হয়েছে। তবে ০১ আগস্ট থেকে পুরোপুরি সক্রিয় করা সম্ভব হবে না। এজন্য আরও কিছুদিন সময় প্রয়োজন।

সড়কে নামলেই গণপরিবহনের নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা চোখে পড়ে। যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় বাসের বেপরোয়া রেষারেষি, একাধিক লেন দখল করে যাত্রী ওঠানামা এবং এর ফলে সৃষ্ট যানজট নিয়মিত চিত্র হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে গণপরিবহনে জিপিএস চালুর উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জিপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে বাসের অবস্থান, গতি ও চলাচলের রুট পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অনুমোদিত রুটের বাইরে চলাচল এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাড়ি থামানোর মতো বিষয়গুলো তদারকি করা সহজ হতে পারে।

দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও জিপিএসের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কোনো বাস কখন কোথায় ছিল, কী গতিতে চলছিল এবং কোন রুট অনুসরণ করছিল—এসব তথ্য সংরক্ষিত থাকলে দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো ঘটনার তদন্তে তা ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা ও যাত্রীবান্ধব মোবাইল অ্যাপ চালু করা হলে যাত্রীরা বাসের অবস্থান এবং সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় জানতে পারবেন। এতে অপেক্ষার সময় কমানোর পাশাপাশি গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

জিপিএস ব্যবস্থায় বাস মালিকরাও তাদের গাড়ির অবস্থান, রুট, গতি ও চলাচলের সময় পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে বহর ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং রুটের বাইরে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে। বাস চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দ্রুত অবস্থান শনাক্ত করতেও এ প্রযুক্তি সহায়ক হতে পারে।

পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধেও কোনো অভিযোগ উঠলে জিপিএসের তথ্যের মাধ্যমে তা যাচাই করা সহজ হতে পারে। দুর্ঘটনা, ডাকাতি, হামলা বা যান্ত্রিক ত্রুটির মতো জরুরি পরিস্থিতিতেও অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত সহায়তা নেয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রযুক্তি সংযোজন করলেই কাঙ্ক্ষিত সুফল আসবে না। ডিভাইস সার্বক্ষণিক সচল রাখা, কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত তদারকি এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সুফল আসবে না; এতে একটি ফাঁক থেকে যাবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কার করতে হবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারও করতে হবে।

এদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনে জিপিএস ডিভাইস সংযোজন কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে বিশ্লেষকদের। তাদের মতে, জিপিএসের পাশাপাশি গণপরিবহনের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে তবেই এ উদ্যোগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব।

 

 

(মন্তব্য করুন  : খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে এবং আপত্তিজনক নয়। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ডেইলি ঢাকা মেট্রো ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।)