চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটের ফরিদাপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় আজ শনিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গত শুক্রবার রাতের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে নাঈম বলেন, ‘ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়। এতে অন্তত ১০ জন মানুষের উপকার হবে। আমি সাদাসিধে জীবনযাপন করি। ঘটনার দিন পুলিশ সিএনজিতে (অটোরিকশা) আমার জিনিসপত্র তল্লাশি করেনি। তারা চাইলে করতে দিতাম। সিএনজিতে যখন তোলা হয়, আমি জানতাম না আমার গলা চেপে ধরবে। তখন আমি ভয় পেয়ে গেছি। পরে থানায় আমার সঙ্গে থাকা পিন পর্যন্ত তাদের দেখিয়েছি।’


নাঈম বলেন, ‘বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ভাই ফোন দেওয়ায় কাজ হয়েছে। তিনি যখন ওসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন আমি কথা বলতে চাইলে ওসি আমাকে আঙুল দেখিয়ে চুপ থাকতে বলেন। নিজেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত উল্লেখ করে সাংবাদিকদের নাঈম বলেন, ‘আমি একটু একা থাকতে চাইছি।’
এ ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই পুলিশ সদস্য হলেন খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরী। এর আগে শুক্রবার রাতেই তাঁদের খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দামপাড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এদিকে এ ঘটনায় পুলিশের সোর্স সোহেলকেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার।
মারধরের অভিযোগে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সিএমপি। আজ শনিবার দুপুরে নাঈম হাসানের বাসায় গিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।





















