দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে শিশুদের সঠিক বিকাশের ওপর: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
- আপডেট সময় : ০৪:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল ও টেকসই করতে শিশুদের সঠিক ও শারীরিক-মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন, “আজকের শিশুরাই আগামী দিনের স্মার্ট বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের সঠিক বিকাশ ও সুরক্ষার ওপরই নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ।”
আজ সকালে (মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ জন শিশু তাঁকে স্বাগত জানায়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয় এবং প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সাথে আসন গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আজকের আয়োজনে ছিল শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের মাঝে স্মারক উপহার বিতরণ এবং ‘শৈশব’ শীর্ষক স্মারক প্রকাশনা উন্মোচন।
দেশের সব জেলার শিশু প্রতিনিধিরা নিজ নিজ জেলার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
এবারের বিশ্ব শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য হলো—‘শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হোক’।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
আজকের আয়োজনে ছিল শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের মাঝে স্মারক উপহার বিতরণ এবং ‘শৈশব’ শীর্ষক স্মারক প্রকাশনা উন্মোচন।
দেশের সব জেলার শিশু প্রতিনিধিরা নিজ নিজ জেলার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
এবারের বিশ্ব শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য হলো—‘শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হোক’।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও বিনোদনের জন্য নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তুলতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই চলবে না, তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে শিশুরা যাতে প্রযুক্তির অপব্যবহার না করে ইতিবাচক শিক্ষায় তা কাজে লাগাতে পারে, সেদিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর রাখার তাগিদ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঝরে পড়া রোধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ উপবৃত্তি, বিনামূল্যে বই বিতরণ এবং পুষ্টিকর মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মূল স্রোতে শামিল করতে বিশেষায়িত শিক্ষা ও সুরক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল শিশু-কিশোরদের সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সমাজের প্রতিটি নাগরিককে শিশুদের প্রতি আরও সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং দেশি-বিদেশি শিশু উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
















