ইব্রাহিমের একমাত্র গোলেই স্বস্তির জয় নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন শুরু বাংলাদেশের
- আপডেট সময় : ১০:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / ৬২ বার পড়া হয়েছে
ঘরের মাঠে বহুকষ্টে স্বস্তির জয় পেয়ে অবশেষে পনেরতম সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের যাত্রা শুরু করতে পেরেছে বাংলাদেশ। ভুটানের চেয়ে বাংলাদেশ যে শক্তিশালী দল এটি বুজাতেই তাদের গোলে সময় যায় ৬৯ মিনিট। বিশ্বনাথের বদলি হিসেবে খেলতে নামা ইব্রাহিমের ওই গোলটিই যেন মান বাঁচালো স্বাগতিক বাংলাদেশের। জায়ান আহমেদের ক্রস থেকে পাওয়া বলে সমিত শোমের মাথায় ছুয়ে ফাঁকা দারুণ গোলটি করেন সুপার সাব ইবরাহিম।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমে প্রথমার্ধে গোলশূন্য ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথমার্ধে বাংলাদেশের ফুটবলে ছিল না প্রত্যাশিত ছন্দ, আক্রমণেও ছিল না তেমন ধার। যে দু-একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল, সেগুলোও কাজে লাগাতে পারেননি ফরোয়ার্ডরা। বিশেষ করে আক্রমণভাগে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও বিশ্বনাথ ঘোষ ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ। অবশ্য বিরতির পর তাদের তুলে নেওয়ার পর বদলে যেতে থাকে ম্যাচের চিত্র। আক্রমণে গতি ফেরে বাংলাদেশের, দ্রুতই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। শেষ পর্যন্ত সেই এক গোলের ব্যবধান ধরে রেখেই জয় দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযান শুরু করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়। ডান দিক থেকে রাকিব হোসেনের বাড়ানো ক্রস বক্সে থাকা বিশ্বনাথ ঘোষের দিকে যাচ্ছিল। তবে তার কাছে পৌঁছানোর আগেই বল ক্লিয়ার করেন ভুটানের এক ডিফেন্ডার। ফিরতি বলে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেন জামাল ভূঁইয়া। সেটিও প্রতিহত হয় ভুটানের রক্ষণে।
১৮তম মিনিটে আবারও সুযোগ পায় বাংলাদেশ। রাকিবের ক্রস থেকে দূরের পোস্টে হেড করেছিলেন বিশ্বনাথ। তবে তার হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। রাইট ব্যাক বিশ্বনাথকে এ ম্যাচে খেলানো হচ্ছে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে।
২৫তম মিনিটে আরও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বিশ্বনাথ। প্রায় ফাকা জায়গা থেকে শট নিতে গিয়ে বল পোস্টের বাইরে পাঠান তিনি। ৩৯তম মিনিটেও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন এই ফুটবলার। সামনে শুধু ভুটানের গোলকিপারকে পেয়েও কোনাকুনি শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।
এদিকে ম্যাচের ১৮তম মিনিটে বল দখলে নিতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান ভুটানের অর্গিয়েন ওয়াংচুক। বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে মাথার সংঘর্ষে মাঠে পড়ে যান তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে মাঠের বাইরে নেয়া হয়। পরে ২০টা ৩৬ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রথমার্ধে ভুটানও একবার বাংলাদেশের গোলমুখে শট নিতে সক্ষম হয়। ৪০তম মিনিটে নেয়া সেই শট অবশ্য খুব একটা বিপদ তৈরি করতে পারেনি। সহজেই বলের নিয়ন্ত্রণ নেন বাংলাদেশের গোলকিপার মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
৪৪তম মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিক থেকে আবারও গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের। শমিত সোম হেডে বল পেছনে পাঠান। গোলমুখে থাকা জিদান ইউসুফ ও সাদ উদ্দিনের কেউই বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। ফলে আরও একটি সম্ভাবনা নষ্ট হয় বাংলাদেশের।




















