ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে বললেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানী বাড়ানোর চেষ্টা করছি। যাতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে তারা মনোযোগ দিতে পারে। মোট বাজেটের ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে রাখতে চাই। পাশাপাশি স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে বলতে গেলে আমাদের হাসপাতালে ভবন আছে হয়তো ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই। তাই জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করবো। আমাদের একটাই গন্তব্য স্বনির্ভর-আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।

কৃষি কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের সমস্যা থেকে বের হতেই কৃষক কার্ড করেছিলাম। দ্রুততার সঙ্গে চেষ্টা করেছি কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে। কার্ড দেওয়া শুরু করেছি। যে ধান ফলায়, যে মাছ চাষ করে যে গবাদি পশু পালে সবাই কৃষক। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি। কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার এক সন্তান ব্রিটেনে থাকেন। আমাকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটেনে থাকতে হয়েছে। সেই দেশের স্কুলগুলোকে দেখতাম আর মনে মনে ভাবতাম আহা আমাদের দেশের স্কুলগুলো যদি এমন হতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে বললেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানী বাড়ানোর চেষ্টা করছি। যাতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে তারা মনোযোগ দিতে পারে। মোট বাজেটের ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে রাখতে চাই। পাশাপাশি স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে বলতে গেলে আমাদের হাসপাতালে ভবন আছে হয়তো ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই। তাই জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করবো। আমাদের একটাই গন্তব্য স্বনির্ভর-আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।

কৃষি কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের সমস্যা থেকে বের হতেই কৃষক কার্ড করেছিলাম। দ্রুততার সঙ্গে চেষ্টা করেছি কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে। কার্ড দেওয়া শুরু করেছি। যে ধান ফলায়, যে মাছ চাষ করে যে গবাদি পশু পালে সবাই কৃষক। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি। কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার এক সন্তান ব্রিটেনে থাকেন। আমাকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটেনে থাকতে হয়েছে। সেই দেশের স্কুলগুলোকে দেখতাম আর মনে মনে ভাবতাম আহা আমাদের দেশের স্কুলগুলো যদি এমন হতো।