বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে ১০ এয়ারবাস, চুক্তি সই
- আপডেট সময় : ১২:১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বহর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে অবশেষে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলের উৎসব হলে ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শিরোনামে এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং এয়ারবাসের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ইয়োর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিমান-এয়ারবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির বিস্তারিত ও উড়োজাহাজের ধরন
বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ফরাসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে দুই ধরনের উড়োজাহাজ কেনা হবে:
৪টি এ৩৫০-৯০০ (A350-900): এই সুপ্রশস্ত (ওয়াইড-বডি) উড়োজাহাজগুলো মূলত বিমানের দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে (যেমন ইউরোপ ও আমেরিকা) সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে।
৬টি এ৩২১নিও (A321neo): অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের ও কম ধারণক্ষমতার এই ন্যারো-বডি উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এয়ারবাসের এই উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৩৬ বা ২০৩৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তবে চুক্তির মোট আর্থিক মূল্য কত, তা কৌশলগত কারণে উভয় পক্ষের কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।
বোয়িং নির্ভরতা কমিয়ে ‘মিশ্র বহর’
এতদিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর মূলত মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এ বছর বোয়িংয়ের সাথে দুই দফায় মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে ৩০ এপ্রিল ১৪টি এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আরও ১১টি বোয়িং কেনার সম্পূরক চুক্তি হয়। বোয়িংয়ের ২৫টি এবং এয়ারবাসের নতুন ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রহ পরিকল্পনায় মোট নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টিতে। এর মধ্যে ১৯টি ওয়াইড-বডি এবং ১৬টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ থাকবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি টেকসই ও আধুনিক ‘মিশ্র বহর’ (Mixed Fleet) তৈরি করা এবং বাংলাদেশকে একটি অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।” তিনি আরও জানান, নতুন উড়োজাহাজগুলো বহরে আসার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে রুটের সক্ষমতা ধরে রাখতে স্বল্পমেয়াদে উড়োজাহাজ লিজ (ইজারা) নেওয়ার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এয়ারবাসের নতুন এই উড়োজাহাজগুলো পরিচালনার সুবিধার্থে বিমানের পাইলট, ক্রু ও প্রকৌশলীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি অবকাঠামো তৈরির কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে বলে বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে
চুক্তির বিস্তারিত ও উড়োজাহাজের ধরন
বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ফরাসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে দুই ধরনের উড়োজাহাজ কেনা হবে:
৪টি এ৩৫০-৯০০ (A350-900): এই সুপ্রশস্ত (ওয়াইড-বডি) উড়োজাহাজগুলো মূলত বিমানের দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে (যেমন ইউরোপ ও আমেরিকা) সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে। [
৬টি এ৩২১নিও (A321neo): অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের ও কম ধারণক্ষমতার এই ন্যারো-বডি উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এয়ারবাসের এই উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সাল থেকে শুরু হয়ে ২০৩৬ বা ২০৩৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তবে চুক্তির মোট আর্থিক মূল্য কত, তা কৌশলগত কারণে উভয় পক্ষের কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।
বোয়িং নির্ভরতা কমিয়ে ‘মিশ্র বহর’
এতদিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর মূলত মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এ বছর বোয়িংয়ের সাথে দুই দফায় মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে ৩০ এপ্রিল ১৪টি এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আরও ১১টি বোয়িং কেনার সম্পূরক চুক্তি হয়। বোয়িংয়ের ২৫টি এবং এয়ারবাসের নতুন ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রহ পরিকল্পনায় মোট নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫টিতে। এর মধ্যে ১৯টি ওয়াইড-বডি এবং ১৬টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ থাকবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি টেকসই ও আধুনিক ‘মিশ্র বহর’ (Mixed Fleet) তৈরি করা এবং বাংলাদেশকে একটি অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।” তিনি আরও জানান, নতুন উড়োজাহাজগুলো বহরে আসার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে রুটের সক্ষমতা ধরে রাখতে স্বল্পমেয়াদে উড়োজাহাজ লিজ (ইজারা) নেওয়ার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এয়ারবাসের নতুন এই উড়োজাহাজগুলো পরিচালনার সুবিধার্থে বিমানের পাইলট, ক্রু ও প্রকৌশলীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি অবকাঠামো তৈরির কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে বলে বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।





















