আটলান্টিক মহাসাগরে মেডিকেল বিমান বিধ্বস্ত, ৬ আরোহীর সবাই নিহত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
- আপডেট সময় : ১১:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৯ বার পড়া হয়েছে
আটলান্টিক মহাসাগরে এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় চিকিৎসাধীন রোগী ও চারজন বিমানকর্মীসহ মোট ছয়জন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। কানাডার অন্টারিওভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালিত ‘হার্টবিট ১০৪ মেডিভ্যাক’ নামের বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ৬৬ ঘণ্টা ধরে প্রায় ৪,৪৪৫ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানোর পর অবশেষে এর ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে।
মার্কিন কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ম্যাসাচুসেটসের ন্যান্টাকেট দ্বীপের উপকূল থেকে প্রায় ২০ মাইল দক্ষিণে সাগরের বুক থেকে বিমানটির ধ্বংসাবশেষের একটি বড় অংশ উদ্ধার করা হয়। এরপরই উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৩ অক্টোবর) বিমানটি বারমুডার এলএফ ওয়েড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু মাঝআকাশে ম্যাসাচুসেটসের আকাশসীমার কাছাকাছি পৌঁছালে বিমানটির পাইলট হঠাৎ বৈদ্যুতিক গোলযোগের কথা জানান। এর পরপরই রাডার চিত্রে দেখা যায়, প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে থাকা বিমানটি মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে ১৩ হাজার ফুটেরও বেশি নিচে নেমে আসে। এরপর বেতার ও অবস্থানসংক্রান্ত সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বিমানটি সাগরে আছড়ে পড়ে।
দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ছয়জনের মধ্যে চারজন কানাডার এবং দুজন বারমুডার নাগরিক। নিহত কানাডিয়ান চারজন হলেন—পাইলট ফিলিপ গ্রেগরি চিল্ডারহোস, সহকারী কো-পাইলট থমাস হেনরি ফারকুহার, উড্ডয়ন-সেবিকা সারা জেন প্যাটন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস চিকিৎসাবিষয়ক কর্মী জোলিন বেথ ওয়্যার। অন্যদিকে নিহত বাকি দুজন হলেন বারমুডার বাসিন্দা ৬৬ বছর বয়সী মেরিলিন লাভোন বিন (রোগী) এবং তার ৪১ বছর বয়সী ছেলে সার্জিও ওয়েন লটিমোর। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুই দেশেই গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




















