সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় তারেক রহমানের ৪ প্রস্তাব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
- আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় ৪টি প্রস্তাব দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাবৃদ্ধি বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৪ শতাংশ ভূখণ্ড সমুদ্রে বিলীন হতে পারে, যার ফলে প্রায় এক কোটি মানুষ ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারাবেন। এই দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় আগামী ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকার উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ নিয়েছে।
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪টি প্রস্তাব:
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস: দ্রুত ও ন্যায্যভাবে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে।
- তহবিল নিশ্চিতকরণ: জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য যথাযথ ও পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।
- প্রযুক্তির সহজলভ্যতা: জলবায়ু প্রযুক্তি এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর প্রবেশাধিকার (অ্যাকসেস) নিশ্চিত করতে হবে।
- উদ্বাস্তু পুনর্বাসন: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত বা জলবায়ু-উদ্বাস্তুদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসনের জন্য বিশ্বব্যাপী পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলবায়ু পদক্ষেপসমূহ:
নদী ও খাল খনন: জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্যারাজ প্রকল্প: পানি সংরক্ষণের জন্য ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ‘তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প’ আধুনিকায়নে মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ চলছে।
বনায়ন: পরিবেশ রক্ষায় দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি: ‘গ্রিন গ্রোথ’ বা সবুজ প্রবৃদ্ধির অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য সৌরবিদ্যুৎ, সবুজ শিল্পায়ন এবং পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বক্তব্যের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।




















