ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নেপালে ভূমি ধসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ১৬০

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও শত শত মানুষ। ধসে পড়া ঘরবাড়ি ও কাদার স্তূপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও উদ্ধারকাজে স্থবিরতা
টানা বৃষ্টির কারণে সীমান্ত অঞ্চলের বেশ কয়েকটি প্রধান সড়ক ধসে গেছে এবং বহু সেতু ভেঙে পড়েছে। ফলে দুর্গম পার্বত্য এলাকাগুলোর সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোর পক্ষে উপদ্রুত এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা ও স্থানীয় উদ্ধারকারী বাহিনী হেলিকপ্টারের সাহায্যে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক সংকট
বন্যা ও ভূমিধসে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং গবাদি পশু বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। দুর্গম এলাকার বাসিন্দারা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন এবং সেখানে তীব্র খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। উপদ্রুত এলাকায় পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কতা
স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী আরও কয়েক দিন এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় নদীর তীরবর্তী এবং পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দুর্গম সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে আটকা পড়া পর্যটক ও স্থানীয়দের উদ্ধারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নেপালে ভূমি ধসে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ১৬০

আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও শত শত মানুষ। ধসে পড়া ঘরবাড়ি ও কাদার স্তূপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও উদ্ধারকাজে স্থবিরতা
টানা বৃষ্টির কারণে সীমান্ত অঞ্চলের বেশ কয়েকটি প্রধান সড়ক ধসে গেছে এবং বহু সেতু ভেঙে পড়েছে। ফলে দুর্গম পার্বত্য এলাকাগুলোর সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোর পক্ষে উপদ্রুত এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা ও স্থানীয় উদ্ধারকারী বাহিনী হেলিকপ্টারের সাহায্যে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক সংকট
বন্যা ও ভূমিধসে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং গবাদি পশু বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। দুর্গম এলাকার বাসিন্দারা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন এবং সেখানে তীব্র খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। উপদ্রুত এলাকায় পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কতা
স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী আরও কয়েক দিন এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় নদীর তীরবর্তী এবং পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দুর্গম সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে আটকা পড়া পর্যটক ও স্থানীয়দের উদ্ধারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।